এর আগেও একাধিকবার নানান ধরণের বিতর্কিত মন্তব্য করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কখনও ১৫০০ কেজির বাচ্চা, কখনও বিষ্ণুমাতা ও আবার কখনও বা যৌ’ন ধর্ম, এমন নানান বেফাঁস কথাবার্তা সর্বসমক্ষেই বলে ফেলেন তিনি। এবারও তেমনই একটি মন্তব্য করে বসলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২০২৪-এ রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। জাতীয় রাজনীতিতে নিজের জায়গা শক্ত করতে উঠেপড়ে লেগেছে তৃণমূল। সামনেই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। গোয়ায় তৃণমূল লড়ছে। এছাড়াও অন্যান্য রাজ্যে জমি শক্ত করতে উদ্যত তৃণমূল।
এই নিয়ে আলোচনার জন্য আজ, বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে একটি সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কংগ্রেসের সঙ্গে তারা গোয়ায় জোট বাধবেন কী না, তা নিয়ে কথা বলেন তিনি। এও মনে করিয়ে দেন যে বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী শক্তিগুলি যদি একজোট না হয়, তাহলে তাঁর দল আকি লড়বে।
এরপরই তৃণমূল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মমতা বলেন যে তৃণমূল এখন জাতীয় দল, কেবল বাংলার দল নয়। তাঁর মন্তব্য, “১৯১৬ সালেই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের স্বীকৃতি পেয়ে গেছি আমরা”। আর তাঁর এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে হাসির খোরাক হলেন তিনি। বিজেপির তরফে মমতার এই মন্তব্য নিয়ে মজা করা হয়েছে।
আসলে তৃণমূল দলটাই তৈরি হয়েছে ১৯৯৮ সালে। আর এই দল সর্বভারতীয় দলের তকমা পায় তৃণমূল দ্বিতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর অর্থাৎ ২০১৬। সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের জাতীয় দল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার বছ্রকে ১৯১৬ বলায়, এ নিয়ে হাসাহাসি শুরু করেছে নেটবাসীরাও। বেশ ট্রোল হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীই।
তবে এদিন ভোটে লড়া নিয়ে মমতা বলেন, “আমরা অনেক রাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। উত্তরপ্রদেশে লোকসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। অখিলেশকে সমর্থন করতে আমি ইউপি যাচ্ছি। লোকসভায় আমি লড়ব। এখন চাই অখিলেশ লড়ুক। গোয়াতেও মাত্র ২ মাসে আমরা লড়াই করেছি। এখনও লড়াই করছি। ত্রিপুরা আমরা নেবই। সিভিক সোসাইটিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন ফ্রন্ট করে দেশজুড়ে কাজ করুন। দু’বছর আমাদের হাতে সময় আছে। ৪২-এ ৪২ চাই। বাংলা মজবুত করে, ঘর মজবুত করে চব্বিশে বিজেপিকে সরাতে হবে”।





