আজ, মঙ্গলবার ফের ওড়িশায় গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কটক হাসপাতালে বাংলা থেকে অনেক মানুষ ভর্তি। তাদের সঙ্গে দেখা করেন এদিন মমতা। এই দুর্ঘটনার তদন্তভার গিয়েছে সিবিআইয়ের উপর। আজ থেকে শুরু হয়েছে তদন্ত। এবার সেই সেই তদন্ত নিয়ে মুখ খুললেন মমতা।
বালেশ্বরে এই ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্ত সিবিআই শুরু করা নিয়ে মমতাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমেই বলেন, “নো কমেন্টস। আমি চাই সত্যটা বেরিয়ে আসুক”। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। এই সময়ে আমাদের মানুষের সঙ্গে থাকা উচিত, তাদের সাহায্য করা উচিত। সত্যিটা যেন ধামাচাপা না পড়ে যায়। এতগুলি জীবন গেল, এখন তর্ক-বিতর্ক করার সময় নয়। কীভাবে এটা হল, কীভাবে এতজনের মৃত্যু হল, সেই সত্যটা বাইরে আসুক, এটাই চাই”।
আজ কটকে হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ওড়িশা সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে হয়ে একসঙ্গে কাজ করছে। তিনি বলেন, “তারা (ওড়িশা সরকার) বিনা খরচে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছে। আমরাও আমাদের দিক থেকে কাজ চালাচ্ছি। তিন-চারটি ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। বালেশ্বরে একটি ক্যাম্প তৈরি হয়েছে। ওড়িশা সীমানাতেও একটি ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে”।
মমতা জানালেন, রাজ্য থেকে ওড়িশায় ইতিমধ্যেই ১০০টিরও বেশি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। আইএএস, আইপিএস এবং অন্যান্য সরকারি আমলাদের মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৪০ জন আধিকারিক রয়েছেন ওড়িশায়। রেল দুর্ঘটনায় আহতদের নিরন্তর পরিষেবা দেওয়ার জন্য চিকিৎসক ও নার্সদেরও ধন্যবাদ জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন মমতা জানান, এ রাজ্যের মোট ৯৭ জন আহতরা ওড়িশার হাসপাতালে রয়েছেন। রেল দুর্ঘটনায় বাংলা থেকে যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ১০৩ জনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এখনও পর্যন্ত। ৩১ জনের এখনও খোঁজ মেলেনি বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!