কেন্দ্রীয় বাহিনীর পর এবার থানা ঘেরাও করার নিদান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের! আক্রমনে বিজেপি

কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট দিতে বাধা ঘেরাও করবেন। চতুর্থ দফা ভোটের আগে কোচবিহারে এমনটাই নিদান দিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলস্বরুপ ঘটে শীতলকুচির ঘটনা l

এদিন তাঁর পরামর্শ থানা ঘেরাও করার। পুলিশ যদি বেআইনিভাবে কাউকে আটকে রাখে তাহলে থানা ঘেরাও করুন বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত এদিন অর্থাৎ শনিবার বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে সাংবাদিক বৈঠকে কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিযোগ করেন, ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে তৃণমূলকর্মীদের গ্রেফতার বা আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি কাগজ তুলে ধরে মমতা দাবি করেন, তাঁর কাছে নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তিন পর্যবেক্ষকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট আছে।

আরও পড়ুন-কঠিন করোনা পরিস্থিতিতেও বিশাল জনসমাগম করে ভোট প্রচার দিলীপ-মিঠুনের! দায়ের হল এফআইআর 

এদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা যায়, ‘আমি বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মালদহ থেকে শুরু করে যাদের যেখানে ভোট আছে, সমস্ত জায়গায় সবাইকে অ্যালার্ট করব, এখন থেকে সতর্কতা নিন। একদিকে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই, অন্যদিকে ইলেকশন কমিশনের লোকেরা বিজেপির হয়ে যাতে ভোট করতে না পারে, তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। যদি কাউকে বেআইনিভাবে আটকে রাখে পুলিশ, তাহলে তাঁর ছেলে-মেয়েরা রাতের বেলা থানায় গিয়ে বসে থাকবেন, থানা ঘেরাও করবেন এবং বলবেন বেআইনিভাবে আটক কেন‌ও করা হয়েছে, ব্যাখ্যা দাও এবং দরকার হলে কোর্টের কাছেও যেতে হবে।’

আরও পড়ুন-নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন ফিরহাদ! অভিযোগ তুলে কমিশনে নালিশ ঠুকলো বিজেপি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নিদানের বিপক্ষে মুখ খুলেছে বিজেপিও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বোলপুরে এসে থানা ঘেরাও করার পরামর্শ দিয়েছেন। উনি নিজেকে বাংলার মেয়ে বলেন। কিন্তু এমন সংস্কার বাংলার মেয়ে অথবা বাংলার পরিবারে নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইন ভঙ্গ করেছেন। আসলে উনি জানেন এই নির্বাচনে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। দিদি কেন‌‌ও বোলপুরে এসে বললেন থানা ঘেরাও করতে?’

RELATED Articles