যাকে রক্ষাকর্তা ভেবেছিল, সেই-ই সে নরপশু হয়ে উঠবে, তা হয়ত কল্পনাতেও কোনওদিন ভাবে নি সবে কৈশোরে উপনীত নাবালিকা। নিজের দাদুর কাছেই দিনের পর দিন শারীরিক নির্যাতনের শিকার নাবালিকা। অবশেষে পুলিশের জালে গুণধর দাদু। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবী উঠল।
এমন লজ্জাজনক ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁর চাঁদা এলাকায়। জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর বিশ্বাস। মায়ের মৃত্যুর পর দাদূর কাছেই ওই বাড়িতে থাকত দুই নাবালিকা। কিন্তু সেই দাদুই যে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটাবে, তা কে-ই বা ভেবেছিল। অভিযোগ, দাদুর আচরণ নাকি দিনদিন পাল্টাচ্ছিল বছর ১৪-এর নাতনির প্রতি।
ওই নাতনিকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে অচৈতন্য করে শারীরিকভাবে লিপ্ত হত দাদু। এই ঘটনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। এই কথা কাউকে বললে নাতনিকে আবার প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছিল শঙ্কর, এমনটাই অভিযোগ। সেই কারণে নাবালিকাও ভয়ের চোটে কাউকে কিছু বলে নি।
তবে গতকাল, রবিবার হঠাৎই বেশ অসুস্থ হয়ে পড়ে নাবালিকা। পরিবার, প্রতিবেশীরা বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। সেই সময় পাড়ার এক মহিলাকে দাদুর এই কীর্তির কথা জানায় নাবালিকা। এরপরই এলাকায় ছড়ায় তুমুল উত্তেজনা। দাদু শঙ্কর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুনঃ ‘প্রাক্তন সিপি বিনীত গোয়েল আমাকে ফাঁসিয়েছে…’, প্রিজন ভ্যান চিৎকার করে দাবী আর জি কর কাণ্ডে ধৃত সিভিক সঞ্জয় রায়ের
পুলিশ তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে প্রথমে আটক করে। তারপর গ্রেফতার করা হয় তাকে। চিকিৎসার জন্য নাবালিকাকে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শুরু হয়েছে শোরগোল। মা মরা নাতনির সঙ্গে দাদুর এমন কাণ্ডে হতবাক সকলে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার