মৃ’ত্যু হয়েছে বাবার, অথচ ডে’থ সার্টিফিকেট এল জীবিত ছেলের নামে, অভিযোগের কাঠগড়ায় মেডিক্যাল কলেজ

কয়েক মাস আগে মৃ’ত্যু হয়েছে বাবার। তাঁর ডে’থ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই ডে’থ সার্টিফিকেট এল মৃ’ত বাবা নয়, জীবিত ছেলের নামে। এই ঘটনায় তুমুল শোরগোল এলাকায়। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে হাসপাতালকে। এই ভুল স্বীকার করে নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কী ঘটেছে ঘটনাটি?  

এও ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কমরগঞ্জ গ্রামে। সেই গ্রামের বাসিন্দা উত্তম নন্দী। জানা গিয়েছে, গত বছর ১৭ নভেম্বর দুপুরে বি’ষপান করেছিলেন ওই ব্যক্তি। তা দেখার পর দ্রুত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মৃ’ত্যু হয় ওই ব্যক্তির।

তবে হাসপাতাল থেকে যে ডে’থ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, তা দেখে তাজ্জব হয়ে যান ওই মৃ’ত ব্যক্তির পরিবার। সেই সার্টিফিকেট অনুযায়ী, উত্তম নন্দী নন, বরং মৃ’ত্যু হয়েছে তাঁর ছেলের। আসলে সেই ডে’থ সার্টিফিকেটে রয়েছে উত্তম নন্দীর জীবিত ছোটো ছেলে বলরাম নন্দীর নাম।

বলরাম নন্দী জানাচ্ছেন, গত ১৭ জানুয়ারি তাঁর ফোনে একটি মেসেজ আসে যে তাঁর বাবার ডে’থ সার্টিফিকেট সাবমিট হয়ে গিয়েছে। মেসেজে আসা একটি লিঙ্ক থেকে সেই সার্টিফিকেট ডাউনলোড করেন তিনি। এরপর মাকে নিয়ে সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে গ্যাসের বই সংশোধন করার জন্য যান ওই ব্যক্তি।

সেখানে গিয়েই ধরা পড়ে আসল সত্যি। দেখা যায়, ওই ডে’থ সার্টিফিকেটে মৃ’ত উত্তম নন্দীর নামটাই নেই। নাম রয়েছে তাঁর ছেলে বলরাম নন্দীর। স্বভাবতই সেই সার্টিফিকেট দেখে হতবাক হয়ে জান্সক্লে।

এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সুপার জয়ন্ত কুমার রাউত বলেন, “বিষয়টা আমরা শুনেছি। দেখছি। কোনও টেকনিক্যাল প্রবলেম হতে পারে। আমাদের কাছে এলে দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে”।

RELATED Articles