জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে নীলু সকলের আড়ালে রাইয়ের কাছে চলে আসে এবং রাইকে গিয়ে বলে সে একজনের প্রেমে পড়েছে, সেই মানুষটি হল শৌর্য্য। যেটা শুনে রাই অবাক হয়ে যায় আর বুঝতে পারে না তার কী বলা উচিত। কিন্তু নীলু তার দিদিভাইকে মানিয়ে নেয় শৌর্য্যের সাথে কথা বলতে আর সকলের কথাকে অগ্রাহ্য করে রাই ডেকে পাঠায় শৌর্য্যকে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৯ সেপ্টেম্বর/ MithiJhora today full episode 19 September
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় নীলুর সাথে মানিয়ে নিয়ে আর একবার সবকিছু নতুন করে শুরু করবার কথা রাই বলে শৌর্য্যকে। যেটা শুনে প্রথম দিকে তীব্র আপত্তি জানায় শৌর্য্য, এই অনুরোধ তার পক্ষে রাখা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় শৌর্য্য। একই সাথে স্রোত থেকে শুরু করে বৌদি, শৌর্য্য সকলে বলতে থাকে নীলুর পক্ষে পরিবর্তন হওয়া একেবারেই অসম্ভব। সে রাইয়ের এই অসুস্থতার সুযোগ নিচ্ছে। স্রোত বারবার বলে, তুই ভুলে যাচ্ছিস দিদিভাই, তোকে মেজদিভাই কতটা ঘেন্না করে আর ওর মত স্বার্থপর মেয়ে স্বার্থের জন্যই তোর কাছে আজকে এসেছিল।
রাই বলে, আমি নীলুকে ভীষণ ভালোভাবে চিনি ওর শ্বাস-প্রশ্বাস আমি জানি। তাই আমার মনে হচ্ছে আজ ওর মধ্যে যে উচ্ছ্বাস আমি দেখেছি সেটা একমাত্র ভালোবাসার জন্যই হয় বা কারোর প্রেমে পড়লেই হয়। যাকে সে এতটা ঘৃণা করে নিজের সংসারটাকে বাঁচিয়ে রাখবার জন্য সেই তার কাছেই আজ আসতে হয়েছে নীলুকে! এতেই তো বোঝা যায় ও সত্যি সত্যি শৌর্য্যকে ভালোবেসে ফেলেছে। তাই আমার মনে হয় শৌর্য্য তোমার নিজেকে আর একটা সুযোগ দেওয়া উচিত এবং নীলুকে।
শৌর্য্য প্রথমদিকে কিছুতেই রাজি হয় না কিন্তু তারপর শুধুমাত্র রাইয়ের অনুরোধ রাখতে সে রাজি হয়। তবে শৌর্য্য দৃঢ় বিশ্বাস করে নীলুর মত মেয়ে কাউকে ভালোবাসতে পারে না। এই প্রচেষ্টা আবার ব্যর্থ হবে। স্রোতও এটাই মনে করে। তাই সে শোর্য্যকে বলে, কিছু হলে তুমি কিন্তু আমার দিদিভাইকে কথা শোনাতে পারবে না। এরপর শৌর্য্য নীলুকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় ওদিকে সার্থক স্যারের গাড়িতে করে রাই ডাক্তারের সাথে চেকআপ করাতে যায়। কিন্তু যতবার সে চেকাপ করাতে যায় ততবার অনির্বাণ লুকিয়ে লুকিয়ে তাকে দেখতে থাকে আড়াল থেকে। ওদিকে নীলুও শৌর্য্যের মন জয় করতে চেষ্টা করে।
এভাবেই আড়াই মাস কেটে যায়। ডাক্তার রাইকে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করার ও রাস্তাঘাটে যাওয়ার অনুমতি দেয়। রাই অফিসে যায়, তার মা তাকে বলে, যত টাকায় খরচ হোক না কেন সে যেন এই কদিন ট্যাক্সি করে যায়! স্রোত রাইকে অফিসে ছেড়ে দিয়ে যায়, অনির্বাণ আড়াল থেকে লক্ষ্য করে। রাই নিজেও অনির্বাণের উপস্থিতি খেয়াল করে কিন্তু আড়াল থেকে নজর রাখলেও সে যে সামনে এসে রাইকে বিব্রত করছে না এতেই সে খুশি হয়। এদিকে অসুস্থ হওয়ার আগে করা তার কাজের জন্য রাই পুরস্কৃত হবে বলে স্যার তাকে জানিয়ে দেয়। এটা শুনে রাই খুব খুশি হয়ে যায়।





