তিলোত্তমা কাণ্ডে নয়া মোড়! সিভিক ভলান্টিয়ার বোড়ে মাত্র, এবার সিবিআইয়ের হাতে এল আর জি করের টিএমসিপি ইউনিটের সভাপতির নাম, শুরু তদন্ত

আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্যের পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হলেও নির্যাতিতার মা-বাবা ও চিকিৎসকদের সংগঠনের দাবী, এমন নৃশংস কাজ কারোর পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। এবার এই ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে এল আর জি করের এক হাউস স্টাফ ও টিএমসিপি ইউনিটের সভাপতির নাম।

জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তদন্তের জন্য সল্টলেকের এক হোটেলের কর্মীকে তলব করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। হোটেলের রেজিস্ট্রার ও সিসিটিভি ফুটেজ চেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই ঘটনায় শুধুমাত্র এক সিভিক ভলান্টিয়ার নাকি অন্য কেউও যুক্ত, তা জানতে চায় সিবিআই। হোটেলের এই কর্মীকে তলব যে তদন্তের নতুন মোড় এনে দিতে পারে, তা বলাই যায়।

কিন্তু হোটেল কর্মীকে কেন তলব?

সিবিআই সূত্রে খবর, ওই টিএমসিপি ইউনিটের সভাপতি আশিস পাণ্ডের সম্পর্কে বিস্তরে খোঁজখবর নিতে চায় সিবিআই। তিনি গত ৯ আগস্ট ওই হোটেলে উঠেছিলেন। ১০ তারিখ ওই হোটেলে ছিলেন তিনি। এমনকি, ৯ তারিখ সকালে তরুণী চিকিৎসকের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর এই আশিস পাণ্ডে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলেও খবর। তাঁর গতিবিধি জানার জন্যই ওই হোটেল কর্মীকে তলব করেছে সিবিআই।

সিবিআই যে তৃণমূল বিধায়ক তথা আর জি করের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের কল রেকর্ডস নিয়ে তৎপর, তা বেশ স্পষ্ট। সুদীপ্ত রায় ঘটনার দিন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। এই কল রেকর্ডসের সূত্র ধরেই মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি-কে তলব করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, আশিস পাণ্ডের নাম প্রকাশ্যে আসার পর সুদীপ্ত রায় স্বীকার করেছেন যে ৯ তারিখের ঘটনার পর আশিস পাণ্ডেকে আর জি করের টিএমসিপি ইউনিটের সভাপতি হিসেবে তিনি সেখানে যেতে বলেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ ‘একজন রাজনীতিকের কাছে অডিও রেকর্ডিং এল কীভাবে’? কুণালের দিকেই ইঙ্গিত আদালতের, কলতানের গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্নের মুখে রাজ্য!

ইতিমধ্যেই আশিস পাণ্ডেকে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি যা যা ঘটনাক্রম বলেছেন, সেই কথার সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে চায় সিবিআই। সেই কারণেই হোটেল কর্মীকে তলব।

RELATED Articles