বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সমাপ্তি ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই গা ছাড়া মনোভাব নিয়ে ঘুরছেন মুকুল রায়। এই প্রথমবার কোনও বিধানসভা নির্বাচনে লড়ে তিনি জয়ী হয়েছেন। কিন্তু তারপর থেকেই যেনও তাঁর কেটেছে তাঁর সঙ্গে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের।
বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষের সঙ্গে তাঁর শীতল সম্পর্কের কথা বঙ্গ রাজনীতিতে কারর অজানা নয়। বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে তা যেনও আরও প্রকট হয়েছে।
এদিন ফের রাজ্য স্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা নেই দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের। তবে একা মুকুল নন, এই বৈঠকে থাকবেন না তৃণমূলত্যাগী সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়রাও।
তবে দিলীপ-মুকুল বর্তমান সম্পর্ক যে জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে সেখানে মুকুলের অনুপস্থিতি একটু বেশি চোখে পড়ছে সবার।
সূত্রের খবর, নিজের স্ত্রীর বর্তমান শারীরিক অবস্থার কারণ দেখিয়ে এদিনের বৈঠকে যোগ দেননি কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়। একাংশ বলছে তিনি নিজেই কিছুদিন আগে করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাই আর লোকের ভিড়ে ঝুঁকি নিতে চাননি।
আরও পড়ুন-‘নন্দীগ্রামের হার মানতে না পেরে শুভেন্দুকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে’, মমতাকে তোপ দিলীপের
কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল বলছে ঘটনা কিছু আলাদাই। বনিবনা হচ্ছেনা দিলীপ-মুকুলের। বেড়েছে দূরত্ব। আর তাই সেই ভাবে দেখা মিলছে না মুকুল রায়ের।
তবে মুকুলবাবুর গোঁসা হয়েছে বলে জানা গেছে। কেনও রেগেছেন তিনি?
সূত্রের খবর বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হন সস্ত্রীক মুকুল রায়। সেই সময় বিজেপির তরফ থেকে তাঁদের খোঁজ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায় সঙ্গে দেখা করেন। এই ঘটনায় যারপরনাই আপ্লুত হন শুভ্রাংশু।
দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির প্রবেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষও। কিন্তু তাঁর যাওয়াকে কার্যত অস্বীকার করে যান মুকুলবাবু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফোনেও যে শৈত্য কাটেনি এই ঘটনা ফের তা প্রমান করলো





