জে পি নাড্ডা এবং নিজের উপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় গর্জে উঠলেন মুকুল রায়! তীব্র নিশানায় তৃণমূল কংগ্রেস

সকাল থেকেই রাজ্য রাজনীতি প্রবল উত্তপ্ত কারণ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও সহ সভাপতি মুকুল রায়ের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাণঘাতী হামলা। তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইঁট, বোতল। প্রাণে বেঁচে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও সহ সভাপতি। এরপরেই গোটা ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে যায় বঙ্গ বিজেপি। কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বও তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খোলে।

বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে রাজ্যে চূড়ান্ত অরাজকতা এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির নিরাপত্তায় মমতা সরকারের ঢিলেমি নিয়ে চিঠি লিখেছেন।
এর আগেই সংবাদমাধ্যমে মুকুল রায় এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, বাংলায় এবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা দরকার না হলে এই রাজ্যে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনে লড়াই করা সম্ভব নয়।

কিছুক্ষণ আগেই আবার তিনি ফেসবুকে গোটা ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। একটি পোস্টে মুকুল রায় লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গকে জঙ্গল রাজে পরিণত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ ভারতীয় জনতা পার্টির সভায় যাওয়ার পথে আমাদের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণ নেমে আসে। রক্তক্ষরণ আমার একার নয়, আমার এই রক্তক্ষরণ আসলে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতির প্রতিচ্ছবি। যদি আমি রক্ত দিয়ে আমাদের রাজ্যে গণতন্ত্র স্থাপনা করতে পারি, তাহলে তাই করবো। তৃণমূল কংগ্রেস নামক দলটিকে সমূলে উৎখাত করুন। আসুন, আমরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে লড়াই করি।”

তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহল থেকে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আজ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে জেপি নাড্ডার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে চিঠি পাঠিয়েছেন। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এইদিন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রের সঙ্গে দেখা করেছেন কিন্তু তিনি নিজে জানিয়েছেন যে এই বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি।

RELATED Articles