নারদা কান্ডে সোমবারই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন মদন-শোভন-সুব্রতর-ফিরহাদ হাকিম। তারপর থেকেই শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা একাধিক কারণে এসএসকেএম ছুটেছেন ৩ নেতা। জাননি শুধু ফিরহাদ হাকিম। তবে প্রেসিডেন্স জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনিও। তাঁর জ্বর এসেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রেসিডেন্সি জেল সূত্রে খবর, প্যারাসিটামল দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করাতে নারাজ তিনি। প্রয়োজনে জেল হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসা হোক বলে জানিয়েছেন ফিরহাদ।
আরও পড়ুন- ভেড়ার পাল নিয়ে রাজ ভবনের সামনে অভিনব প্রতিবাদ! অসন্তোষ প্রকাশ করে সবিস্তার রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের
ববি ব্যতীত বাকি তিন মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়রা তিনজনই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার ভোররাতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হওয়ায় উডবার্ন ব্লকে ভর্তি করা হয় মদন ও শোভনকে। পরে বেলার দিকে অসুস্থ বোধ করায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। তিনজনের শারীরিক অবস্থা, চিকিত্সা সংক্রান্ত সমস্ত খুঁটিনাটি জেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হচ্ছে। সুব্রত মুখোপাধ্যায় রয়েছেন উডবার্ন ব্লকের ১০২ নম্বর কেবিনে। মদন মিত্র রয়েছেন ১০৩ নম্বর কেবিনে। শোভন চট্টোপাধ্যায় ১০৬ নম্বর কেবিনে রয়েছেন l
তবে এবার হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাধ সাধছে চলেছে সিবিআই। সারদা কাণ্ডের পর নারদার ক্ষেত্রেও এইমসের চিকিৎসকদের দিয়ে বোর্ড গঠনের ভাবনা চিন্তা করছে কেন্দ্র তদন্তকারী সংস্থাটি। সেখান থেকেই জানার চেষ্টা করা হবে ধৃত রাজনৈতিক নেতাদের হাসপাতলে ভর্তি হয়ে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা কতটা? জেলের মেডিকেল রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে, সিবিআই এর সদর দফতরে। সেখানেই এসএসকেএম হাসপাতালের রিপোর্ট সম্পর্কে এইমসের চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ জানতে চাওয়া হবে বলে জানা গেছে।





