কিছুদিন আগেই দেশের তিন মহিলা বিজেপি প্রার্থীকে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। ফোন করে তাদের কেন্দ্রের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। এই তিনজনের মধ্যে দুজন ছিলেন বাংলার দুই মহিলা বিজেপি প্রার্থী। একজন বসিরহাটের প্রার্থী রেখা পাত্র ও অন্যজন কৃষ্ণনগরের প্রার্থী অমৃতা রায়। এবার আর কোনও প্রার্থী নয়, মোদী ফোন করলেন এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে।
আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। এদিন কোচবিহার সভা করেন তিনি। এরপর তিনি ফোন করে মালদহের বিজেপি কর্মী লতিকা হালদারকে। এই লতিকা হালদার হলেন মালদহের হবিবপুরের বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। তাঁকে ফোন করে এদিন নির্বাচনের প্রচারের বিষয়ে নানান তথ্য জানতে চান মোদী।
প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) খোঁজ নেন যে লতিকার বুথে নির্বাচনী প্রচার কেমন চলছে। বুথের সমস্ত কার্যকরতাদের সমস্ত দায়িত্ব ঠিকঠাক বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কী না, জানতে চান তিনি। এর উত্তরে লতিকা বলেন, “আমার ওয়ার্ডে কাজ ভাল চলছে। সবাইকে দায়িত্ব পালনের জন্য বুঝিয়ে দিয়েছি। সবাইকে কাজ বুঝিয়ে দিয়েছি”।
এরপরই মোদীর (Narendra Modi) মুখে শোনা যায় বাংলায় নির্বাচনী হিংসার কথা। বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। প্রশ্ন করেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী হিংসা বড় খারাপ পরিস্থিতি তৈরি করে রেখে দিয়েছে। প্রচার করতে গিয়ে এমন কোনও ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না তো”?
এর উত্তরে লতিকা বলেন, “আমি মহিলাদের একত্রিত করে একজোট হয়ে প্রচার করছি। মোদী বলেন, আপনি তাহলে সব জায়গায় গিয়ে আপনাদের কথা বলতে পারছেন? উত্তরে লতিকা দেবী বলেন হ্যাঁ পারছি। কোনও সমস্যা হচ্ছে না”।
ফোনালাপের শেষের দিকে লতিকা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচনী হিংসা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন হিংসা রুখতে সমস্ত ব্যবস্থা করেছে। আপনারা বিভিন্ন প্রকল্পের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিন। বুথের সমস্ত মানুষের কাছে যান। বিজেপির নীতির কথা বলুন। ভোটারদের সমস্ত তথ্য নিজের কাছে রাখুন”।
এই প্রসঙ্গে উত্তর মালদার বিজেপির প্রার্থী তথা সাংসদ খগেন মুর্মু বলেছেন, “এটাই হল আমাদের প্রধানমন্ত্রী। দুর্গম গ্রামের একজন দলীয় সদস্যা কেমন আছেন তারও খোঁজ খবর যেমন রাখেন, তেমন-ই গ্রামের সাধারণ মানুষের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী যথাসাধ্য ভাবে কাজ করে চলেছেন”।





