গত মঙ্গলবার তৃণমূলের কিছু সাংসদ রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাদের বারবার বলা সত্ত্বেও নিজেদের জায়গায় ফেরেন নি তারা। এভাবে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে তারা চেয়ারকে অসম্মান করেছেন। এই কারণে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু তৃণমূলের ৬ সাংসদ শান্তা ছেত্রী, অর্পিতা ঘোষ, মৌসম নূর, দোলা সেন, মহম্মদ নাদিমুল হক, আবীর রঞ্জন বিশ্বাসকে বুধবার সারাদিনের জন্য রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করেন।
কিন্তু অভিযোগ, সাসপেন্ড হওয়ার পরও বুধবার সন্ধ্যেয় বেশ কয়েকজন তৃণমূল সাংসদ জোর করে রাজ্যসভায় ঢোকার চেষ্টা করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের বাধা দিতে গেলে শুরু হয় হাতাহাতি। নিরাপত্তারক্ষীরা আহত হয়েছেন বলেও খবর। এই হাতাহাতিতে সংসদের জানলার কাঁচ ভেঙে যায় বলেও খবর।
আরও পড়ুন- ভক্তদের জন্য সুখবর! শীঘ্রই খুলে দেওয়া হবে রাম মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজা, দ্রুত গতিতে চলছে নির্মাণকাজ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদিন সন্ধ্যায় ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল, তা জানার জন্য গোটা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে পাঠানো হয়েছে রাজ্যসভা সচিবালয়ের তরফে। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার সত্যতা যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে তৃণমূল সাংসদদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে এই বিষয়ে পাল্টা দাবী এনেছে ঘাসফুল শিবিরও। তাদের দাবী, বুধবারের অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল সাংসদদের। কিন্তু সন্ধ্যার সময় অধিবেশন শেষে তারা যদি রাজ্যসভায় ঢোকার চেষ্টা করেন, তাহলে সমস্যা কীসের?
আরও পড়ুন- মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য পরামর্শদাতা পদ থেকে ইস্তফা, তবে কী এবার রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর?
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাজ্যসভায় অধিবেশন শুরু হতে না হতেই তৃণমূল-সহ নানান বিরোধী দলের সাংসদরা প্ল্যাকার্ড হাতে ওয়েলে নেমে এসে পেগাসাস ইস্যু নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাদের বারবার নিজেদের জায়গায় ফিরে যেতে বলা হলেও সে কথায় আমল দেন নি তারা। এরপরই অধিবেশন বানচাল ও রাজ্যসভার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূলের ৬ সাংসদকে সাসপেন্ড করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান।





