বড়দিনে কাঁপবে রাজ্য, কনকনে শীত ও শৈত্যপ্রবাহকে সঙ্গী করেই বিষে ভরা বিশ বিশকে বিদায়

এই কিছুদিন আগে পর্যন্তও রাজ্যবাসীর অভিযোগ ছিল, শীত পড়ছে না, শীত পড়ছে না করে। কিন্তু পৌষের আগমন হতে না হতেই সোয়েটার, চাদর, লেপ, কম্বলকে সঙ্গী করেছে রাজ্যবাসী। শেষ কয়েকদিন ধরেই বেশ জাঁকিয়েই পড়েছে শীত।

হাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে যে বড়দিনে বেশ জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও, হাড়কাঁপানো শীতের আভাস কিন্তু রয়েই যাচ্ছে।

গতকাল, সোমবার মরসুমের শীতলতম দিন ছিল কলকাতায়। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি কম। আজ তাপমাত্রার পারদ খানিকটা উঠলেও শীতের আমেজ বেশ ভালোই রয়েছে। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ। আকাশ দিনভর কার্যত পরিষ্কারই থাকবে।

সকালের দিকে হালকা কুয়াশার দেখা মিললেও বেলা বাড়তেই ঝকঝকে আকাশ, সেই সঙ্গে ঠাণ্ডার আমেজ। জানা গিয়েছে, বীরভূম, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও ঝাড়গ্রামে তৈরি হয়েছে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমতে পারে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত। এদিকে কলকাতা, দুই ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলীতেও তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখীই থাকবে বলে খবর রয়েছে।

অন্যদিকে, বিহার ও উত্তরপ্রদেশে ঘন কুয়াশার সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দিল্লিতেও পড়েছে কনকনে ঠাণ্ডা। জম্মু-কাশ্মীরে বৃহস্পতিবার থেকেই ঢুকতে শুরু করবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আবার দক্ষিণ ভারতে সৃষ্টি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। এর জেরে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ওই অঞ্চলে।

RELATED Articles