তদন্ত যত এগোচ্ছে, একের পর এক পেঁয়াজের খোলসের মতো নানান তথ্য যেন বেরিয়ে আসছে এই পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে কেন্দ্র করে। অর্পিতার রথ বেলঘড়িয়ার তলার ফ্ল্যাট থেকে ৩১ কোটি টাকা ও তাল তাল সোনা-রুপোর বাট ছাড়াও মিলেছে আরও দুটি চমকপ্রদ জিনিস, দুটি সে’ক্স টয়।
এই দুটি জিনিস উদ্ধারের পর তা নিয়ে যেন চাঞ্চল্যের শেষ নেই। তবে একাকী এক মহিলার ফ্ল্যাট থেকে ওরকম কোনও জিনিস মেলা, খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে এই উদ্ধারের পর নেটপাড়ায় পার্থ ও অর্পিতার সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয়েছে নানান মশকরা।
নানান সূত্র থেকে পার্থ ও অর্পিতার রসালো প্রেম কাহিনীর কথাও জানা যাচ্ছে। মডেল-অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য নাকি ভুয়ো সিমকার্ড ব্যবহার করতেন পার্থ। এমনকি, রাত গভীর হলেই লং ড্রাইভে বেরিয়ে পড়তেন তাঁরা। ছুটি পেলেই নাকি দু’জনে চলে যেতেন অর্পিতার মামার বাড়ি।
এসএসসি দুর্নীতির তদন্তে নেমেই পার্থর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কথা জানা যায়। অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে ইডি উদ্ধার করে ২১ কোটি টাকা ও ৫০ লক্ষের বেশি টাকার গয়না। এরপর গতকাল, বুধবার অর্পিতার রথতলার ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে উদ্ধার হয় ৩১ কোটি টাকা ও একাধিক সোনা ও রুপোর বাট।
এসবের মধ্যেই নানান তথ্য মিলছে পার্থ ও অর্পিতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে। জানা গিয়েছে, মহম্মদ সাবিরের নাম করে তিলজলার ভুয়ো ঠিকানা দিয়ে সিম কার্ড নিয়ে সেই নম্বর থেকে অর্পিতার সঙ্গে ফোনালাপ সারতেন পার্থ। আদালতে এই রিপোর্ট জমা করবে ইডি। এমনকি, মাঝরাতে মাঝেমধ্যেই চলে যেতেন লং ড্রাইভে। অর্পিতা-পার্থর ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, তারা দু’জন নাকি সময় পেলেই পার্থর বেগমপুরের বাগানবাড়িতে সময় কাটিয়েও আসতেন।
জাঙ্গিপাড়ায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের মামার বাড়ি। সূত্রের খবর, সেখানেও প্রায়শই যাতায়াত করতেন পার্থ। শুধু তাই-ই নয়, সেখানকার এক পুকুর পাড়ে একসঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতেন অর্পিতা-পার্থ। মাছ ধরতেন তাঁরা। জাঙ্গিপাড়ার বাসিন্দাদের কথায়, দুর্গাপুজোর সময়ও জাঙ্গিপাড়ায় দেখা যেত পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।





