সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে গোটা রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। সন্দেশখালি নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। এরই মধ্যে বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি সূত্রে খবর, তাঁর এই সফরেই তিনি দেখা করতে পারেন সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে। তাঁর সভা মঞ্চেও হাজির থাকতে পারেন সন্দেশখালির মহিলারা।
সন্দেশখালিতে মহিলারা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাদের উপর হওয়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে। শ্লী’ল’তা’হা’নির বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন তারা। কখনও সংবাদমাধ্যম, কখনও রাজ্যপাল, তো কখনও আবার জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তারা। এবার তারা মুখোমুখি হতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর।
এই বিষয়ে কী জানাচ্ছে বিজেপি?
সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে কী সত্যিই দেখা করবেন সুকান্ত মজুমদার? এই বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যদি তাঁরা দেখা করতে চান, তাহলে অবশ্যই আমরা দেখা করাব। তাঁদের ইচ্ছের ওপর নির্ভর করছে”। আগামী ৬ মার্চ রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসাতে মহিলাদের সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন তিনি। মহিলাদের ন্যায় সমাবেশে বক্তৃতা দেবেন। সেই সভামঞ্চেই সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দেখা করানোর ব্যবস্থা করতে পারে বিজেপি।
সুকান্তর কথায়, “মহিলারা তৃণমূল নেতাদের হাতে শোসিত হচ্ছে, অত্যাচারিত হচ্ছে। তৃণমূল হাত থেকে তাঁদের মুক্তি দিতেই প্রধানমন্ত্রী আসছেন রাজ্যে”।
প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহান, ও তাঁর দুই সাগরেদ উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান সেখানকার মহিলারা। তাদের ভিটেমাটি কেড়ে নেওয়া থেকে শুরু করে শ্লী’ল’তা’হা’নি, শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ তোলেন সন্দেশখালির মহিলারা। উত্তম ও শিবুর বিরুদ্ধে এক মহিলা গ’ণ’ধ’র্ষ’ণ ও খু’নের চেষ্টার অভিযোগ করে গোপন জবানবন্দি দেন। এই ঘটনায় উত্তম ও শিবুকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও অধরা মূল পাণ্ডা শেখ শাহজাহান।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে সন্দেশখালির ঘটনাকে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রীর সফরে তা রাজনৈতিক সুবিধা পেতে চাইছে বিজেপি। ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সভা বিজেপি কর্মীদের অক্সিজেন জোগাবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সন্দেশখালির মহিলাদের বিজেপির দেখা করানোর উদ্যোগ প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে যাদের নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের নিয়ে আগে উদ্যোগ নেন নি কেন”?





