পণের টাকা না পাওয়ায় বধূর উপর নির্যাতন আবার অনেক সময় খু’নের ঘটনার কথা আকছার শোনা যায়। এবার তেমনই এক ঘটনার কথা উঠে এল বাংলার বুক থেকে। স্ত্রীকে খু’ন করার অভিযোগ উঠল খোদ পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধেই। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত শেখ বাবুলকে।
ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর টাউন থানার অন্তর্গত সাজোয়াল এলাকায়। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে পেশায় দর্জি শেখ ইসমাইলের মেয়ে আম্মাতুন বিবির সঙ্গে পুলিশ কনস্টেবল বাবুল শেখের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নাকি প্রায়ই বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য জোর করতেন বাবুল। মৃতা আম্মাতুনের বাবা ইসমাইলের অভিযোগ, জামাই প্রায় সময়ই টাকা চেয়ে পাঠাতেন। তা দিতে না পারলে মেয়েকে মারধরও করা হত বলেও জানান তিনি।
ইসমাইল জানান, কিছুদিন আগেও তাঁর জামাই তাঁর থেকে ২৪-২৫ লক্ষ টাকা ধার চেয়েছিলেন। ইসমাইলের কথা অনুযায়ী, বাড়ি কেনার জন্যই নাকি তাঁর জামাই এই টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেই টাকা দিতে পারেন নি সেই সময়। এরপরই তাঁর মেয়ের উপর চলতে থাকে অত্যাচার।
ইসমাইল জানান, গত শনিবার শেষবার মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি। ফোনের মধ্যেই মারামারির আওয়াজ পান বলে জানান মৃতার বাবা। এরপরই ওই রাতেই মেয়ের মৃত্যুর খবর পান তিনি।
ইসমাইল ও মৃতার পরিবারের অভিযোগ, স্বামী-সহ আম্মাতুনের শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মেরে ফেলেছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে ধৃত বাবুল। তার আবার দাবী, একটি ফোনের সূত্রেই ঘটেছে এমন ঘটনা। বাবুল একটি নতুন ফোন কিনে নিয়ে এলে সেই ফোন নিতে চান আম্মাতুন। স্ত্রীকে পরে দেবেন বলেছিলেন। সেই অভিমানেই বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন আম্মাতুন। এমনটাই দাবী করেছেন ধৃত বাবুলের।






