লোকসভা নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আরও বেশি প্রকট হচ্ছে বিজেপির অন্দরের গোষ্ঠীকোন্দল। এই কোন্দল থামাতে কিছুদিন আগেই দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, দলীয় শৃঙ্খল ভাঙা সহ্য করবে না দল। এমনকি, বিক্ষুব্ধদের সাসপেন্ড করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাও থামেনি দলের অন্দরের অশান্তি।
কিছুদিন আগেই সল্টলেকে বিজেপির অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন দলীয় কর্মী, সমর্থকদের একাংশ। বিক্ষোভকারীরা দাবী তুলেছিলেন যে অমিতাভ চক্রবর্তী ও অমিত মালব্যকে রাজ্যে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরাতে হবে। এমনকি তারা বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। এমন ঘটনার পর বিক্ষোভকারী কর্মীদের সাসপেন্ডের হুঁশিয়ারি দেন সুকান্ত মজুমদার।
এবার ফের একবার প্রতিবাদ বিজেপির পার্টি অফিসে। বিজেপির মুরলীধর সেন লেনের পার্টি অফিসে এবার দেখা গেল পোস্টার। অমিতাভ চক্রবর্তী ও অমিত মালব্যর নামে পোস্টার পড়ল সেখানে। পোস্টারে লেখা ‘বিজেপি মঞ্চ বাঁচাও’। স্বাভাবিকভাবেই এমন পোস্টারের জেরে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। লোকসভা ভোটের আগে এমন ধরণের বিক্ষোভ যে গেরুয়া শিবিরকে বিপাকে ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য।
বলে রাখি, দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। সুকান্তর বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি মোটেই মেনে নেন নি তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপম লিখেছিলেন, “প্রানের ঝুঁকি নিয়ে বুথ স্তরে লড়াই করা মানুষগুলোকে কর্মচারী না ভেবে যেদিন থেকে সহকর্মী ভাবতে শিখবেন, সেদিন থেকেই সংগঠনের অধিকাংশ সমস্যা দূর হতে থাকবে”।
প্রসঙ্গত, পুজোর আবহের মধ্যেই বঙ্গ বিজেপির চার নেতাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এমনও ইঙ্গিত মেলে যে এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙা ও দল বিরোধী কাজের অভিযোগে বঙ্গ বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি ওই এই চার নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা যায়। আর এবার ফের বিক্ষোভ কর্মীদের। এবার পোস্টার পড়ল অমিতাভ চক্রবর্তী ও অমিত মালব্যর বিরুদ্ধে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!