বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনে তিন অঙ্কের সংখ্যা পেরোলে ভোট কৌশলীর কাজ ছেড়ে দেবো। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ছিলেন আইপ্যাক প্রধান প্রশান্ত কিশোর। সবাই ভেবেছিল এবার হয়তো চাকরি গেল তাঁর। কারণ ভোট পূর্ববর্তী বিজেপির তর্জন-গর্জনে একপ্রকার চাপা পড়ে গিয়েছিল তৃণমূল।
কিন্তু ভোটের ফল প্রকাশ হতেই সবাই তাজ্জব। একেবারে মিলে গেছে পিকের ভবিষ্যৎ বাণী। ৭৭ টি আসন পেয়ে থামতে হয়েছে বিজেপিকে।
আর এবার রাজ্যের তরফে নিজের কাজের পুরস্কার পাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর। তৃণমূল সূত্রে খবর বাংলা থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন প্রশান্ত। লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক বিপর্যয়ের পর রাজ্যে তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় আনার সর্বোচ্চ পুরস্কার হয়তো তিনি পাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে বাংলা থেকে রাজ্যসভায় ১টি আসন খালি রয়েছে। দলবদলের সময় দিনেশ ত্রিবেদী পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় এই আসনটি খালি হয়ে যায়। অপরদিকে, দুটি আসন আরও খালি হতে চলেছে। কারণ বিবেক গুপ্তা ও মানস ভুইঞা রাজ্য বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর এই দুই শূন্য আসনে রাজ্যের শাসকদলের তরফে প্রশান্ত কিশোর এবং প্রাক্তন বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহাকে নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।
রাজনীতিতে যথেষ্ট অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোর। বিহারে নীতীশ কুমারের সরকারকে মসনদ দখল করানো থেকে শুরু করে মোদীকে প্রথমবারের মতো দেশের শীর্ষে বসানো সবেতেই কাজ করেছে প্রশান্ত’র মাথা।
এর আগে বিহারে নীতীশ কুমারের জেডিইউ’র সহ সভাপতি পদে ছিলেন। এছাড়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও প্রশান্তর সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো।
আরও পড়ুন- শীতলকুচি ঘটনার ফল! ফের ক্ষমতায় এসেই কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে অপসারিত করলেন মমতা
আর তাই রাজনীতিতে অভিজ্ঞ, সুবক্তা প্রশান্ত কিশোরের এখন তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হাওয়া এখন হয়তো সময়ের ব্যাপার।





