অনেকদিন ধরেই বঙ্গ রাজনীতিতে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তৈরি হচ্ছিল জল্পনা। এবারের লোকসভা নির্বাচনে যে তিনি তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়বেন, তেমন গুঞ্জন ছিল বেশ। এবার সেই জল্পনাই সত্যি হল। কোন লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়বেন রচনা, তা একপ্রকার নিশ্চিত হয়েই গিয়েছে। যদিও এখনও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি, তবে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রায় প্রস্তুত।
নির্বাচনের ময়দানে নানান তারকাদের যোগ ও ভোটে দাঁড়ানো নতুন কোনও ঘটনা নয়। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দেব তৃণমূলের টিকিটে ঘাটালের প্রার্থী হয়েছেন ও জিতে দু’বার সাংসদও হয়েছেন।
আবার ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে তৃণমূলে যোগ দিয়ে ভোটের প্রার্থী হয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহান। তারা দু’জনেই একজন যাদবপুর ও অন্যজন বসিরহাট কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়ে সাংসদ হন। এবার পালা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল সূত্রে খবর, পূর্ব মেদিনীপুরের কোনও একটি কেন্দ্র থেকে রচনাকে প্রার্থী করতে পারে দল।
সূত্রের খবর, অধিকারী গড় বলে পরিচিত তমলুক বা কাঁথি থেকেই রচনাকে প্রার্থী করা হবে। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছিল, তমলুক কেন্দ্র লড়বেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সম্প্রতি শোনা গিয়েছে, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পদত্যাগের পর বিজেপিতে যোগ দিয়ে তমলুক কেন্দ্র থেকে লড়বেন। সেই কারণেই যুদ্ধক্ষেত্র পরিবর্তন করল ঘাসফুল শিবির।
অনুমান, কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকেই টিকিট দেওয়া হবে রচনাকে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ওই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। ওই কেন্দ্রেই রচনাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে নামাতে পারে তৃণমূল। বলে রাখি, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে এই কাঁথি কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন শিশির অধিকারী। যদিও দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে অনেকদিন আগেই। এবার তাঁকে তৃণমূল আর টিকিট দেবে না, এটা বেশ স্পষ্ট।






