হেডফোনটা ঠান্ডা মনে হতেই চমকে উঠলেন এক যুবক। খানিকক্ষণ তাকিয়ে দেখে তাঁর মনে হলো এটা বোধহয় নড়ছে। অস্বাভাবিক মনে হতেই খাটের নীচে উঁকি মারলেন তিনি। তারপরের দৃশ্য দেখে তো তাঁর প্রাণ প্রায় যায় যায়। এতক্ষন হেডফোন ভেবে যে ঠান্ডা জিনিসটি নিয়ে পার্থ টানাটানি করছিলেন সেটি একটি বিশালাকার সাপের লেজ!
জলপাইগুড়ির বাসিন্দা পার্থ মল্লিক খানিকটা তাড়া হুড়োতেই কাজে বেরোনোর তাগিদে ফোনের হেডফোনটা নিতে গেলে সেটি বিছানা থেকে খাটের পাশের ফাঁকা জায়গায় পড়ে যায়। এরপরই সেটিকে বার করার জন্য খাটের নীচে ঢুকে হাত বাড়ান তিনি। সেসময় হঠাৎই হেডফোনটিকে খুব ঠান্ডা বলে মনে হয় পার্থর। আর তখনই খাটের নিচে তাকিয়ে দেখেন।
পার্থ মল্লিক জানিয়েছেন, খাটের নীচ তাকিয়ে তিনি দেখলেন যেটিকে ‘হেডফোন’ ভেবে তিনি টানাটানি করছিলেন সেটি ছিল একটি বিশাল সাপের লেজ। প্রথমে না বুঝলেও ঠান্ডা লাগার পর তাকাতেই মনে হয়েছিল হেডফোনটা যেন নড়ছে। আর তারপরই তিনি দেখলেন এক বিশাল সাপ।
ঘটনার চলতে ভয়ে রীতিমতো তিনি কাঁটা হয়ে যান। কিছুক্ষণের জন্য মাথাও কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে খানিকবাদে তিনি হুঁশ ফিরে পেয়ে বাইরে এসে সোজা ফোন করেন পরিবেশকর্মী বিশ্বজিৎ দত্ত চৌধুরীকে। বিশ্বজিৎ দত্ত এসে সেই সাপটিকে বার করেন। তিনি জানিয়েছেন এটি একটি র্যাট স্নেক প্রজাতির সাপ যা ইঁদুর ধরে খায়। এর কোনো বিষ নেই। বর্ষায় এদের বাসা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এরা লোকালয়ে চলে এসেছে।





