দিনেদুপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনার ঘটল রাজ্যের দুই প্রান্তে। সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের দুটি শোরুমে ঘটে গেল ডাকাতি। রাণাঘাট ও পুরুলিয়ার দুটি শোরুম থেকে প্রায় সব সোনা ও হিরের গয়না লুট করে পালাল দুষ্কৃতীরা। সঙ্গে চলল গোলাগুলিও।
প্রথমে খবে মেলে পুরুলিয়ায় সেনকো গোল্ডের নমোপাড়ায় যে শোরুমটি রয়েছে, সেখানে ঘটে ডাকাতির ঘটনা। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদ্রশির সূত্রে খবর, প্রায় ৭-৮ জনের একটি দল গ্রাহক সেজেই ওই শোরুমে ঢোকে। তারপরই নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীদের আটক করে ফেলে তারা। তারপর প্রায় ৯০ শতাংশ সোনা ও হিরের গয়না লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা। পালানোর আগে সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্কও নিয়ে গিয়েছে বলে খবর।
একই ঘটনা ঘটে রাণাঘাটেও
এই ঘটনার পরই খবর মেলে ঠিক ওই একই সময়ে রাণাঘাটে সেনকোর শোরুমেও ঘটেছে ডাকাতির ঘটনা। রাণাঘাটে রথতলায় সেনকোর যে শোরুমটি রয়েছে, সেখানে দুপুরের দিকে প্রায় ৯ জনের একটি দল ক্রেতা সেজেই ঢোকে। সেখানেও একইভাবে নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীদের বেঁধে ফেলা হয়। কয়েকজন বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে মারধর করা হয় তাদের।
এখানেই শেষ নয়, এই শোরুম থেকে গয়না লুটের পর গুলিও চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। তবে এই গোলাগুলিতে কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। তবে মারধরের জেরে শোরুমের তিনজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর। এই ৯ দুষ্কৃতীদের মধ্যে পুলিশ ইতিমধ্যেই চারজনকে ধরতে পেরেছে বলে খবর।
দুটি ঘটনার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কী?
সেনকো গোল্ডের দুটি শোরুমে প্রায় একই সময় একইরকমভাবে এম ডাকাতির ঘটনায় বেশ জল্পনা ছড়িয়েছে। এই দুই ডাকাতির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কী না, তা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। সবথেকে আশ্চর্যের বিষয়, যে জায়গার শোরুমগুলিতে এমন ডাকাতি হয়েছে, তা বেশ জনবহুল এলাকা। দিনেদুপুরে তেমন এলাকায় এমন দুঃসাহসিক ডাকাতি কীভাবে ঘটে গেল, তা নিয়ে সন্দেহ তো দানা বাঁধছেই। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।





