সন্দেশখালি ঘটনা নিয়ে গোটা রাজ্য উত্তপ্ত। এখনও সেই ঘটনার রেশ কাটে নি। গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদরা। এমন আবহে এবার সন্দেশখালি নিয়ে ফের এক বিস্ফোরক দাবী করলেন দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।
এর আগেও সন্দেশখালি নিয়ে নানান মন্তব্য করেছেন বর্ষীয়ান সাংসদ। তাঁর দাবী ছিল, সন্দেশখালির ঘটনা নাকি সংবাদমাধ্যমের তৈরি। যা নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়। এবার দোলের এক অনুষ্ঠানে ফের সন্দেশখালি নিয়ে বিস্ফোরক দাবী করলেন সৌগত রায়। তাঁর সেই মন্তব্যের ভিডিও এখন বেশ ভাইরাল হয়েছে (যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪৭)।
কী বলেছেন সৌগত রায়?
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে সৌগত রায়কে বলতে শোনা গিয়েছে, “সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচারের কোনও ঘটনা ঘটেনি। ঘটলে প্রমাণ থাকত”। এখানেই শেষ নয়, তাঁর আরও দাবী, “যদি কিছু ঘটেও থাকে, সেক্ষেত্রে মমতার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শাহজাহান, শিবু, উত্তমদের রাজ্য পুলিশই গ্রেফতার করেছে। সিবিআই বা ইডি নয়”।
তৃণমূল নেতার মন্তব্যে কী প্রতিক্রিয়া বিরোধীদের?
বর্ষীয়ান সাংসদের এহেন দাবীকে ঘিরে ফের চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এই ঘটনায় নারদা কাণ্ডের প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, “অধ্যাপক সৌগত রায় নারদ কাণ্ডে হাতে টাকা নিয়ে থ্যাঙ্ক ইউ বলেছিলেন। দুষ্কৃতিরা তৃণমূলের, কিছু বললে ওরা ওকে বিপদে ফেলবে, তাই উনি দুষ্কৃতিদের হয়ে কথা বলছেন”।
সৌগত রায়ের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “দলের ভেতরেই অনেকে চাইছেন না সৌগতবাবু ফের সাংসদ হন। কিন্তু প্রার্থী পদটা ওঁর জরুরি, তাই আবার তোষামোদ শুরু করেছেন”।
প্রসঙ্গত, সৌগত রায়ের কোনও পাল্টা প্রতিক্রিয়া মেলেনি এই বিষয়ে। তবে তাঁর এই মন্তব্যের কারণে তাঁরই দোলের অন্দরে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। আসলে সন্দেশখালি কাণ্ডে শাহজাহানের সাগরেদ শিবু ও উত্তমের বিরুদ্ধে গ’ণ’ধ’র্ষ’ণ মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এক মহিলার গোপন জবানবন্দি প্রেক্ষিতে এক মামলা রুজু করা হয়েছে। এরপর গ্রেফতার করা হয় শিবু হাজরাকে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার