গত শনিবার রাতেই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা লিউইয়ান আহমেদকে গ্রেফতার করে এন আই এ। তার বিরুদ্ধে আল-কায়দা যোগের অভিযোগ। শনিবার রাতে তার বাড়ি তল্লাশি চালায় পুলিশ। তার বাইকের একটি টুলবক্স থেকে একটি রিভলবার উদ্ধার করা হয়েছে। আল-কায়দা যোগে এন আই এ গ্রেফতার করে আরও ৯ জনকে। তাদের মধ্যে লিউইয়ান একজন। এরা সবাই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা।
ডোমকল বসন্তপুর কলেজে ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাজ করে লিউইয়ান। সেই সূত্রে পাড়ায় সে এক পরিচিত মুখ। তার পরিবারের অভিযোগ, মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে তাদের ছেলেকে। তার মা-এর দাবী ছেলে এরকম কোনও কাজ করতেই পারে না। পুলিশকে অনেক বোঝানোর পরেও তারা কথা শোনেনি। লিউইয়ানের মামা বলেন, তিনি ছোটো থেকে ভাগ্নেকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন, মানুষ করেছেন, তার সঙ্গে আল-কায়দার যোগ থাকতে পারে না। তার বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা করা হয়েছে।
এমনকি, এলাকাবাসীরাও কেউ যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাদের পরিচিত লিউইয়ান আহমেদ একজন জঙ্গি। যদিও লিউইয়ানের ফেসবুক প্রোফাইল বলছে অন্য কথা। তার প্রোফাইল ঘেঁটে মিলেছে এমন কিছু পোস্ট যাতে রয়েছে শুধুই পড়শি রাষ্ট্র পাকিস্তানের স্তুতি।
তার শেয়ার করা বিভিন্ন পোস্টে তাকে পাকিস্তানকে বিভিন্ন বিষয়ে সমর্থন করতেও দেখা গিয়েছে। এমনকি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ছবি শেয়ার করে একের পর এক পোস্ট করেছে লিউইয়ান। পুলিশি জেরায় সে স্বীকার করেছে যে আইএস বিরোধী ইরানের নিহত সামরিক নেতা কাশেম সোলেমানিকে সে নিজের আদর্শ বলেই মনে করে। লিউইয়ান-সহ অন্যান্য ধৃতদের নিয়ে আজকের রাতের বিশেষ বিমান ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি উড়ে যাচ্ছে আন আই এ-র প্রতিনিধি দল।





