করোনা সংক্রমনের কুপ্রভাব এখনো মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। ১৪ই এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩রা মে। কিন্তু এরপর যে লকডাউন একেবারে শেষ হয়ে যাবে তার সম্ভাবনাও কম। যদিও ইতিমধ্যেই রেড জোন ছাড়া বাকি জোনে দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। তা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। যদিও ৪ঠা মে থেকে রাজ্যের গ্রিন জোনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম শিথিল করতে চলেছে রাজ্য সরকার। তিনি জানিয়ে দিলেন, এইসব জোনে চা ও পানের দোকান খোলা থাকবে। প্রয়োজনের জিনিসটুকু নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। তিনি কড়া ভাষায় বলেন, ‘আড্ডা কোনওভাবেই এখন অ্যালাউ করা হবে না। আড্ডা হতে দেখলে আবার দোকান বন্ধ করা হবে।’
তবে, রেড জোনে আগেরমত চলবে সম্পূর্ণ লকডাউন। সেইসঙ্গে গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনের ক্ষেত্রেও হকার্স কর্নার এবং ফুটপাতের কোনো দোকান খুলবে না। শপিং মলও বন্ধ থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ছোট স্টেশনারি দোকান, বইয়ের দোকান, রঙের দোকান, ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান, মোবাইল চার্জের দোকান খোলা থাকবে। তবে, একটা দোকানের মধ্যে ব্যবসা হলেই তা খোলা যাবে। এছাড়া আয়রন স্টিল কোম্পানি, ছোট ছোট কারখানা খোলা থাকবে। তবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে সবাইকে।
সাধারণ মানুষের কাছে মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেন, ‘আপনারা এ পর্যন্ত অনেক সহযোগিতা করেছেন, আর একটু সহযোগিতা করুন।’ সেইসঙ্গেই তিনি জানান, ‘কনটেইনমেন্ট এলাকায় পুরোপুরি লকডাউন, সেখানে এখনই কিছু করার নেই।’ সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রের কাছে দোকান খোলার নির্দেশিকা চেয়েও পাইনি।
তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, ‘মাস্কটাকে এখন আর একটা পোশাক ভেবে নিন। এটা এবার থেকে পরেই বেরোতে হবে।’ করোনা এত তাড়াতাড়ি যাবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। তাই খুব সতর্ক থাকার অনুরোধ করে তিনি জানান, ‘মে মাসের শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুতর সময় বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাই ততদিন সরকারের সাথে সহযোগিতা করুন, সুস্থ থাকুন।’





