এভাবেও ফিরে পাওয়া যায় ! মা বাবাকে হারিয়ে নিঃস্ব, মৃত্যুর পরও মা-বাবাকে ফিরিয়ে আনলেন ছেলে, ভালোবাসার অনন্য নজির দেখল কলকাতা

Son made father and mother silicone sculpture: ১৬ জুন রবিবার ফাদার্স ডে উদযাপন উপলক্ষে সিলিকনের মা-বাবাকে বাড়িতে নিয়ে গেলেন আইনজীবী সমিত দত্ত। বড় দুর্ঘটনার পর সমিতবাবু বাবার সাহচর্যে আবার জীবনযুদ্ধে ফিরেছিলেন। তাঁর মতে, এই পৃথিবীতে মা-বাবার কোনও বিকল্প নেই। তাই তিনি মা-বাবাকেই ফিরে পাওয়ার অনুভূতি নিজের জীবনে ধরে রেখেছেন (Son made father and mother silicone sculpture)

আইনজীবী সমিত দত্ত জানালেন, তাঁর অনুপ্রেরণার উৎস তাঁর বাবা। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে বাবার মানসিক জোরকে সম্বল করে সুস্থ জীবনযাপন শুরু করেন তিনি। তাই প্রয়াত বাবার প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করতে সমিতবাবু বাবার সিলিকনের জীবন্ত মূর্তি তৈরি করিয়েছেন (Son made father and mother silicone sculpture)। এই মূর্তির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় কলকাতার আইসিসিআর প্রেক্ষাগৃহে, যেখানে বাবা ও ছেলের হৃদয়ষ্পর্শী সম্পর্কের সাক্ষী থাকে সকলে।

বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুধু মূর্তি তৈরিই নয়, বাবার পুরনো বহু ডায়েরি খুঁজে সেগুলি সংকলন করে একটি বইও প্রকাশ করেছেন সমিতবাবু। তাঁর মতে, বাবার লেখা ডায়েরিগুলি শুধু স্মৃতি নয়, সেগুলি তাঁকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে চলেছে। বাবার হাত ধরে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার এই যাত্রা এবং তাঁর জীবনের নানা ঘটনার কথা তুলে ধরতে বই প্রকাশের উদ্যোগ সমিতবাবুর জীবনে বাবার গুরুত্বকে তুলে ধরে (Son made father and mother silicone sculpture)

এই পুরো ঘটনাটি শুধু একজন সন্তানের বাবা-মায়ের প্রতি ভালোবাসার উদাহরণ নয়, এটি একটি প্রেরণার গল্পও। সমিতবাবুর মতো প্রতিটি সন্তানই তাঁর মা-বাবাকে শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসে এবং তাঁদের স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে চায় (Son made father and mother silicone sculpture)। এই উদ্যোগ সমিতবাবুর বাবার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ, যা অনুপ্রাণিত করে সকলকে।

আইনজীবী সমিত দত্তের কথায়, “আপনাদের কাছে এটা স্কাল্পচার হলেও আমার কাছে আমার জীবন্ত বাবা-মা। সর্বশ্রেষ্ঠ নিঃস্বার্থ ভালোবাসা হল বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যে। ২৭শে জুলাই ২০২২ আমার বাবা মারা যান। তার পরে গত বছর সিলিকনের স্কাল্পচার তৈরি করেছিলাম পরিমল দাসকে দিয়েই। মায়ের একটা স্কাল্পচার উদ্বোধন করব (Son made father and mother silicone sculpture)। বাবা মারা যাওয়ার পর ছাদের ঘর থেকে ৮৪ খানা ডায়েরী আমি পেয়েছিলাম। সেই ডাইরির মধ্যে থেকে চারটি ডায়েরী দিয়ে স্মৃতিচারণ বইটা গত বছর পাবলিশ করেছিলাম। এবছর বাবার আরো চারটে ডাইরি দিয়ে সেদিনের কথা বইটি পাবলিশ করব।”

RELATED Articles