আজ ছিল প্রতিবাদের রাত। রাতের দখল নিতে পথে নেমেছিলেন মহিলারা। আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের নানান প্রান্তের মহিলারা প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। আর জি করের মহিলা চিকিৎসকরাও এই কর্মসূচিতে সামিল হন। কিন্তু এই কর্মসূচির মধ্যেই আর জি করে চলে হামলা। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই শুক্রবার বাংলাজুড়ে ১২ ঘণ্টার বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।
আর জি করে আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের উপরেই হামলা করে দুষ্কৃতীরা। বিক্ষোভ মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়। হামলা চলে চিকিৎসক, এমনকি রোগীদের উপরও। জরুরি বিভাগে চলে ভাঙচুর। ভেঙে দেওয়া হয় চেয়ার-টেবিল। ভাঙচুর চলে প্রসূতি বিভাগেও। এই ঘটনায় উত্তাল হাসপাতাল চত্বর।
একদিকে যখন পথ দখল করছেন মহিলারা, সেই সময় প্রাণ ভয়ে এদিক-ওদিক ছুটলেন চিকিৎসকরা। কেউ লুকিয়েছেন ছাদে, কেউ বা আবার মহিলাদের টয়লেটেও। পুলিশ ছিল নিষ্ক্রিয় দর্শক। পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে দাবী। এই হামলা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয় পুলিশ।
এই ঘটনার প্রতিবাদেই এবার শুক্রবার বাংলা জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সব বন্ধ থাকবে এদিন। ১২ ঘণ্টার এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে SUCI-এর তরফে। বিরোধী দলের ধর্মঘটকে বেশ কড়া হাতেই সামলে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণে শুক্রবারের এই ধর্মঘট আদৌ সফল হয় কী না, সেটাই দেখার!
প্রসঙ্গত, তবে আর জি করের এই হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে নানান মহলে। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের দাবী, এই হামলা চালানো হয়েছে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের তরফেই। পুলিশ এই হামলা আটকাতে বাধ্য। কেন এই হামলা? আন্দোলনকে অন্য পথে চালিত করতেই কী এই ষড়যন্ত্র? পুলিশ কেন পারল না হামলা রুখতে? এমন নানান প্রশ্ন তুলেছে আর জি কর। মিলবে কী সেই প্রশ্নের উত্তর?






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার