কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব যেন এখন বাংলার একটা উৎসবে পরিণত হয়েছে বলা যায়। প্রতি বছর এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন সিনেমাপ্রেমী মানুষরা। আজ, বৃহস্পতিবার নন্দনে হল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা। এদিন নন্দনে ছিল চাঁদের হাট। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে নানান তারকা, সকলে মিলে আরও যেন জৌলুস বারিয়ে তুলল চলচ্চিত্র উৎসবের।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ তো ছিলেনই এই অনুষ্ঠান পর্বে। সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন বলিউডের শাহানশাহ। ছিলেন বলিউডের বাদশা, রানি মুখার্জী, অরিজিৎ সিং। টলিপাড়া থেকে মঞ্চ মাতালেন দেব, মিমি, শ্রাবন্তী, সায়ন্তিকারা। এমন এক অনুষ্ঠানে দেখা মিলল না বাংলার তারকা মিঠুন চক্রবর্তীর। আর সেই নিয়ে রাজ্য সরকারের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

মিঠুন চক্রবর্তীর মতো অভিনেতা বাংলার নন, গোটা ভারতেরই গর্ব। তাঁর কেরিয়ার নিয়ে যতই সমালোচনা হোক না কেন, তাঁর প্রতিভাকে তো কোনওভাবেই অস্বীকার করা যায় না। অভিনয় জীবনের পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতেও ভালোই ইনিংস খেলছেন তিনি। বর্তমানে বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তিনি।
রাজ্যের গেরুয়া সংগঠনকে উজ্জীবীত করার দায়িত্ব রয়েছে তাঁর উপর। সদ্যই তিনি রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে জেলা সফর করে গিয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি টলি তারকা দেবের প্রযোজনায় ‘প্রজাপতি’ সিনেমায় কাজ করেছেন। বড়দিনে তা মুক্তি পাবে। অর্থাৎ রুপোলি পর্দায়ও তাঁর উপস্থিতি যথেষ্ট উজ্জ্বল।
কিন্তু সেই বাংলার গর্বকেই বাংলার এত বড় একটা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল না। সেই নিয়ে রাজ্য সরকারের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। টুইট করে তিনি লেখেন, “মিঠুন চক্রবর্তীকে ছাড়া KIFF অসম্পূর্ণ। নিজের রাজ্যে এমন এক তারকা থাকতে কেন ভিনরাজ্যের সুপারস্টারদের আমন্ত্রণ কেন? শিল্পের উৎসবে রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রাখাই কাম্য”।
KIFF is incomplete without Mithun Chakraborty. What is the point of calling superstars from other states and avoiding your own? Politics should be kept aside as far as art is concerned. @MamataOfficial
— Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) December 15, 2022
তবে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের প্রশ্ন, এমন টুইট করে নিজেই কি বিষয়টিকে রাজনৈতিক রঙ দিলেন না সুকান্ত মজুমদার?





