জমে জমজমাট ভোটযুদ্ধ। তৃণমূল ইতিমধ্যেই ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বিজেপি নেতা। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি। মাতিয়ে দিচ্ছেন যে কোনও সভা মঞ্চ। বিজেপির আরও এক নেতা সৌমিত্র খাঁ এর কথায় এখনও নাকি আরও সাত-আটজন তৃণমূল সাংসদ বিজেপিতে যোগদান করবেন। রাজিব ব্যানার্জি, শতাব্দী রায়, অপরুপা পদ্দার এর মতো কয়েকজনের তো তিনি ইতিমধ্যে নামও নিয়ে নিয়েছেন। এবার অপেক্ষার সময়ের।
আজ পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার খেজুরডাঙার সভা করেন তৃণমূল থেকে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর যথারীতি সেই সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে বেলাগাম আক্রমণ করেন তিনি। কটাক্ষ বেঁধেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। একইসঙ্গে আজকের সভা থেকে বামপন্থীদের উদ্দেশ্যে তাঁর অনুরোধ, লাল ঝান্ডায় মিটিংয়ে যান, কিন্তু ভোটটা পদ্ম ফুলেই কিন্তু দেবেন।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক খেজুরডাঙ্গার সভায় বলা তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশ-
১. সভার শুরুতেই তিনি বলেন শুভেন্দু অধিকারী চেনা লোক। ২০১৮-তে আমি ক্রেডিট নিতে আসিনি। আমি পুরসভাগুলোর দায়িত্ব বেছে নিয়েছিলাম।
২. তৃণমূল কংগ্রেস প্রাইভেট লিমিটেড উঠে গিয়েছিল। দরজা খোলার লোক পাওয়া যেত না। তোলাবাজ ভাইপোকে কেউ দেখতে পায়নি। তখন আমি পার্টি অফিস খুলে বসতে বলেছিলাম। এখন এটা তো কোম্পানি, আমি কর্মচারী থাকতে পারবো না।
* তোলাবাজ বলেছি বলে গায়ে লেগে গিয়েছে!
৩. শ্বেতপত্র প্রকাশ করে বলুন কত স্থায়ীপদ তুলে দিয়েছেন?
৪. ভারতের সবচেয়ে সুবিধাবাদী দল তৃণমূল। আর সুবিধাবদী নেত্রী তাদের দলনেত্রী।
৫.ভোটের সময় কেনও নার্সিংহোমের সাথে মিটিং করে বলছে, তিন মাস পার করে দাও?
৬. চাষীরা এখনও আলুর দাম পায়নি।
৭. মিলকল মালিকদের সঙ্গে আঁতাত করে কৃষকদের সর্বনাশ করা হয়েছে।
৮. স্বাস্থ্যসাথী নামে ‘ঢপের চপ’ চলছে!
৯. তোলাবাজ বলেছি বলে গায়ে লেগে গিয়েছে!
১০. টিকা চোর, এবার কিডনি চুরি করবে।
১১. ঢপবাজ, ফ্রড! ঢপের চপ পথশ্রী!
১২. ভোটে আসবে, হাঁটব। কেউ রুখতে পারবে না।





