এমনিই বর্তমানে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রের নির্দেশ তিনি কেন অমান্য করলেন, এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর তোপের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন যে আলাপন-ইস্যুতে সব ‘কেস ক্লোসড’।
এরই মধ্যে ফের একটি বিষয় নিয়ে অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে তিনি চিঠি দিয়ে জানান যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও রাজ্যে কেন সিকিউরিটি কমিশন চালু করা হচ্ছে না?
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে রিপোর্ট হওয়া প্রকাশ সিং বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ার মামলার ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ জারি করা হয়েছে যাতে দেশের প্রত্যেকটি রাজ্যে সিকিউরিটি কমিশন চালু করা হয় যাতে রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পুলিশ কোনওরকম আইন অমান্য না করতে পারেন।
সুপ্রিম কোর্টের তরফে এমনও নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে এই সিকিউরিটি কমিশনের সদস্যদের এমন হতে হবে, যাতে তারা রাজ্য সরকার দ্বারা চালিত না হন। সেই নির্দেশে এমনও বলা হয়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্বাচন করা কোনও সদস্যকে চাইলে রাজ্য এই কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন।
কিন্তু শুভেন্দুর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্ট ও অন্ধ্রপ্রদেশ হাই কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই নির্দেশ অমান্য করেছে। এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যে সিকিউরিটি কমিশন চালু করেনি। এর পিছনে গাফিলতি রয়েছে রাজ্য সরকারেরই।
এই কারণে শুভেন্দু রাজ্যপালের কাছে অনুরোধ করেন যাতে তিনি এই বিষয়ে আলোকপাত করেন এবং রাজ্যে যাতে দ্রুত এই সিকিউরিটি কমিশন চালু হয়, সেদিকেও তিনি নজর দেন।






