“তৃণমূল তো ৭০-৮০টা বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি”, জীবনের অন্যতম বড় পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু

নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে কে জিতবেন তা সময়ই বলবে। তবে তীব্র উত্তেজনায় স্নায়ুর চাপ সহ্য করাটা বেশ কঠিন। ‌ তবে এবার সেটা করে দেখালেন জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে নামা শুভেন্দু অধিকারী। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক হিসেবে মাঠে নামতেন। এবার নিজেই নেতা। প্রতিপক্ষ আবার প্রাক্তন নেত্রী। সকাল থেকেই চড়কির মতো, নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত, ছুটে বেড়ালেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী তথা অধিকারী পরিবারের বড় ছেলে শুভেন্দু অধিকারী। সকাল ৭টার মধ্যেই নন্দীগ্রামে ঢুকে পড়েন তিনি। তাড়াতাড়ি ভোট দেন।

আরও পড়ুন- বিজেপি এজেন্টের গাড়ি ভাঙচুর, মহিলা বিজেপি এজেন্টকে মারধর তৃণমূলের, উত্তপ্ত কেশপুর

তবে এদিন বেশ বেলা করেই বের হন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেয়াপাড়ার বাড়ি থেকে বেরিয়ে বয়ালে এলেন তৃণমূল নেত্রী। এখানে সকাল থেকেই তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে তাদের বুথ এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়। ওই এলাকায় মমতা যেতেই উত্তেজনা তৈরি হয়। তখনও বিভিন্ন বুথে ঘুরছেন শুভেন্দু অধিকারী।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মমতাকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে। তারপর প্রার্থী বেরোচ্ছেন। তাহলেই বুঝে নিন। শুভেন্দুর দাবি, “তৃণমূল তো ৭০-৮০টা বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি। লোকই তো নেই। যে বুথে ধমকাচ্ছে, সেখানে যাব।”

উল্লেখ্য, সকাল থেকে এতগুলো বুথ ঘোরার পর, ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী। বললেন,  ‘বেগম হারছে। বিকাশ জিতছে। জমির সঙ্গে কঠিনভাবে যুক্ত আমি। গ্রামে পাড়ায় লোকজন আছে। মানুষকে বিশ্বাস শব্দটা খুব বড়। যেটা নন্দীগ্রামে জনগণের সঙ্গে আমার আছে। ২০ বছরের সম্পর্ক। আমার এজেন্টকে ঢুকতে সকালে বাধা দিচ্ছিল। পরে ঠিক হয়ে যায়। শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে’।

এরপরই তৃণমূল ও মমতাকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, এটা আসলে জয় শ্রীরামের ভয়। শেষ প্রচারে এত জয় শ্রীরাম হয়েছে… হিঙ্গুয়া, বলরামপুর ও রেয়াপাড়ায় হয়েছে..এতটাই হয়েছে যে……।
এভাবে শুভেন্দু দাবি করেছেন, বিজেপির জনসমর্থনের আভাস পেয়েই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।

RELATED Articles