‘কাশ্মীরকে সোজা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’, মোদীর উপর ভরসা দেখিয়ে রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার রীতিমতো হুঁশিয়ারি শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একরকম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর নির্ভর করেই এই হুঁশিয়ারি জারি করলেন তিনি। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বাড়ল উত্তাপ।

এখন শুভেন্দুর ঘরে-বাইরে দুদিকেই বিপদ। তাঁর বিরদ্ধে চলছে নানান তদন্ত। এরই মধ্যে বিজেপির অন্দরের কেউ কেউ আবার শুভেন্দুকে মেনে নিতে পারছেন না। অনেকেরই ধারণা তাঁর জন্য আজ বিধানসভার কোনও কমিটিতে বিজেপির বিধায়ক নেই।

আরও পড়ুন- চলল শুভেন্দু ম্যাজিক, বিজেপিতে যোগ দিলেন শতাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মী

এমন পরিস্থিতিতে বেশ হুঁশিয়ারির সুরেই তিনি বলেন, “দেশে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী আছেন। ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরকে সোজা করে দিয়েছেন”।‌ অর্থাৎ এই রাজ্যকেও যে প্রধানমন্ত্রীই সোজা করে দেবেন, এমনটাই বোঝাতে চাইলেন শুভেন্দু।

এদিকে আবার মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টকে হাতিয়ার করেও রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি শানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “‌জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তো আমরা আবেদন করে আনিনি। আদালত পাঠিয়েছে। রিপোর্টটা দেখলেন তো”।

সম্প্রতি, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেফহে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। আদালতের নির্দেশের একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে তারা। সেই রিপোর্টে দাবী করা হয়েছে, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় রাজ্য সরকার বা প্রশাসন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে কোনও পদক্ষেপ নেয় নি।

এই রিপোর্টে আরও বলা হয় যে, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী ছাচ্রাও কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের নাম জমা করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। তবে, শাসকদলের পাল্টা দাবী যে এই রিপোর্ট সম্পূর্ণ সাজানো। আবার এই কমিশনের দলে থাকা আতিফ রশিদকে নিয়েও উঠেছে বিস্তর প্রশ্ন, কারণ তিনি এককালে বিজেপি করতেন।

আরও পড়ুন- ‘একুশে জুলাই’ এবার পালন হবে গুজরাতেও, মোদীর রাজ্যে ভার্চুয়াল বক্তৃতা রাখবেন ‘দিদি’

তবে এসবে পরও শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “‌অনেক গুন্ডা। দলদাস পুলিসের নাম বাদ চলে গিয়েছে। সব আমরা আগামীদিনে বলব। ভেবেছিলেন যা খুশি করব! দেশে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী আছেন। আপনারা একটা প্রদেশে আছেন। ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরকে সোজা করে দিয়েছেন। ডাললেকের ধারে এখন তেরঙ্গা পতাকাগুলি ঝুলে, সবুজ পতাকা দেখা যায় না। আমাদের সংবিধান আইনের শাসনের উপর দাঁড়িয়ে আছে। আর রিপোর্টে এক নম্বর লাইনে লেখা আছে, পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই, শাসকের আইন”।

আরও অন্যান্য খবর