বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেও উত্তেজনার খামতি নেই রাজ্য রাজনীতিতে। বিধায়ক পদের জন্য ভোটে দাঁড়িয়ে ছিলেন বলে সাংসদ পদ ত্যাগ করতে হয় তাঁকে। তবে এবার ফের রাজ্যসভার সাংসদ হচ্ছেন স্বপন দাশগুপ্ত।
আরও পড়ুন:প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বয়কট মমতার পূর্বপরিকল্পিত! টুইটারে আক্রমণাত্মক রাজ্যপাল ধনখড়
জানা গেছে আলাপন কান্ডের মাঝেই আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তাঁর নাম সাংসদ হিসেবে মনোনীত করেছেন। স্বপন দাশগুপ্ত এর আগেও রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন।
তবে সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়ানোর কারণে স্বপন দাশগুপ্তকে পদত্যাগ করতে হয়। সাংসদ থাকা অবস্থায় তাঁর বিধায়ক পদে দাঁড়ানো নিয়ে তীব্র প্রশ্নবাণ ছুঁড়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এই নিয়ে দীর্ঘ বিবাদ চলে।

প্রসঙ্গত একুশের হাইভোল্টেজ নির্বাচনে হুগলির তারকেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়েছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত। তবে ভোটে মুখ থুবরে পড়েন। কিন্তু তিনি তো সাংসদ পদ ইস্তফা দিয়ে দিয়েছিলেন, এদিন ফের রাষ্ট্রপতি তাঁর নাম মনোনীত করায় প্রাণ ফিরে পেলেন স্বপন।
আরও পড়ুন:কেনও উপস্থিত থাকেন নি প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে? আলাপনকে শো-কজ করে তিন দিনের মধ্যে জবাব চাইল কেন্দ্র
উল্লেখ্য, সংবিধানের অষ্টম তফশিলে বলা রয়েছে, রাজ্যসভার কোনও মনোনীত সদস্য যদি শপথ গ্রহণ করার পর যদি কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, তা হলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়। প্রাক্তন সাংবাদিক স্বপন দাশগুপ্ত ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। আর এ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!