২০০ থেকে সোজা ৫০০ টাকা! এক লাফে ৩০০ টাকা বেড়ে গেল টেট-র ফি, কেন বাড়ল ফি? কী জানাচ্ছে পর্ষদ?

২০১৭ সালের পর সোজা টেট হয়েছিল গত বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে। এবার থেকে আর টেট বাদ পড়বে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের কথায়, নিয়োগ হোক বা না হোক, টেট হবেই। সেই মতোই গত ২৪শে ডিসেম্বর, রবিবার রাজ্যে হয়ে গেল টেট পরীক্ষা। তবে টেট পরীক্ষার ফি বেড়ে গেল দ্বিগুণ।

২০১৭ সালের পর যখন টেট পরীক্ষা নেওয়া হয়, তখন আবেদন মূল্য বেড়েছিল ৫০ টাকার মতো। আর এবার টেট পরীক্ষার ফি বেড়ে গেল ৩০০ টাকা। ২০২২ সালে সাধারণ ক্যাটেগরির প্রার্থীরা যেখানে ২০০ টাকা টেট ফি দিয়েছিলেন, সেখানে এবার ২০২৩-এর প্রার্থীদের থেকে টেট ফি হিসেবে নেওয়া হয়েছে ৫০০ টাকা।

কেন বাড়ল টেট ফি?

পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে যে পরীক্ষার খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। সেই কারণেই পরীক্ষার ফি বাড়ানো হয়েছে। পর্ষদের কথায়, পরীক্ষার উপর যেভাবে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, সেই কারণেই বেড়েছে খরচ। নিয়োগ নিয়ে যে বিপুল দুর্নীতি সামনে আসছে পরপর, সেই কারণে বোর্ড কোনওভাবেই নজরদারিতে খামতি রাখতে চায় না। স্বচ্ছতার সঙ্গে পরীক্ষা নেওয়াই পর্ষদের মূলমন্ত্র। সেই কারণে নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কী কী নতুন ব্যবস্থা চালু হয়েছে টেট পরীক্ষার জন্য?  

স্বচ্ছ নিয়োগের জন্য পরীক্ষার হলগুলিতে সিসিটিভি রাখা হচ্ছে। কন্ট্রোল রুমও থাকছে। গোটা নিরাপত্তার দায়িত্ব বেসরকারি এজেন্সিকে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে আগের পরীক্ষার থেকে অনেক বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। আর এর জেরেই ফি বাড়ানো হচ্ছে বলে দাবী পর্ষদের। ২০২৩-এ সাধারণ বিভাগের প্রার্থীরা পরীক্ষার ফি হিসেবে ৫০০ টাকা দিয়েছেন। এসসি, এসটি ও বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের জন্য পরীক্ষার ফি ছিল ২৫০ টাকা আর ওবিসি প্রার্থীদের পরীক্ষার ফি ধার্য করা হয়েছিল ৪০০ টাকা।

আরও অন্যান্য খবর