Remarkable Success of R G Kar Medical College: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিল পঞ্চাশোর্ধ বাবলু দে-র শারীরিক অবস্থা। জরুরি বিভাগে আসার সময় তাঁর কবজিতে কোনও পালস পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকরা গলার কাছে ক্যারোটিড ধমনিতে পালস পরীক্ষা করেও ব্যর্থ হন। অবশেষে কুঁচকির কাছে কিছুটা মৃদু পালস খুঁজে পান।
জেলা হাসপাতাল থেকে বাবলু দে-কে রেফার করা হয়েছিল। ঝুঁকি নিয়েই আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। ভর্তি করার পরই জরুরি ভিত্তিতে অ্যাঞ্জিওগ্রাম করা হয়। রিপোর্টে দেখা যায়, বাবলু দে-র চারটি ধমনির প্রায় ১০০ শতাংশ ব্লক হয়েছে! একটি হৃদয়ে, দুটি ব্রেনে এবং আরেকটি হাতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে ব্লক ছিল (Remarkable Success of R G Kar Medical College)।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শুভ্র চক্রবর্তী বলেন, “এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল! চারটি ধমনির ১০০ শতাংশ ব্লক হওয়ার পরও তিনি কিভাবে বেঁচেছিলেন, সেটা আমাদের বিস্মিত করেছে। এ একেবারে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ। যেকোনও মুহূর্তে বড় বিপদ ঘটতে পারত।”
চিকিৎসকরা পরিস্থিতি বিপজ্জনক আন্দাজ করে, তৎক্ষণাৎ বাবলু দে-কে ওটিতে নিয়ে যান। ডাঃ শুভ্র চক্রবর্তীর নেতৃত্বে মেডিক্যাল বোর্ড একের পর এক স্টেন্ট বসানোর কাজ শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা লক্ষ করেন রোগীর শরীর সাড়া দিচ্ছে। ধীরে ধীরে বন্ধ ধমনিগুলি খুলতে শুরু করে। ফিরতে শুরু করে কবজি এবং গলার পালসও (Remarkable Success of R G Kar Medical College)।
বর্তমানে ইছাপুরের বাসিন্দা বাবলু দে বিপদমুক্ত। তার ছেলে অতনু দে বলেন, “ডাক্তারবাবুরা সাক্ষাৎ দেবদূত, না হলে বাবাকে হয়তো ফিরে পেতাম না। কল্যাণী এইমস, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হয়ে বাবাকে যখন আর জি কর-এ আনছিলাম, তখনই চিকিৎসকরা বলেছিলেন পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক, যেকোনও মুহূর্তে খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারে” (Remarkable Success of R G Kar Medical College)।





