বিজেপি করার ‘খেসারত’! ‘মাঝরাতে এসে টেনে নিয়ে গেল’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ভোট আবহে ফের উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এমন আবহে এবার ফের উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে শোরগোল পড়েছে গোটা এলাকায়। বিজেপির করার জেরেই এই ‘খেসারত’ দিএ হচ্ছে বলে দাবী বিজেপি কর্মীর।

কী ঘটেছে ঘটনাটি?

নন্দীগ্রামের কেশবপুরের বাসিন্দা রবীন হালদার। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজন পুলিশের সঙ্গে গিয়েই তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। ওই বিজেপি কর্মীর দাবী, ভোট ৩টে-৪টে নাগাদ কিছু লোক তাঁর বাড়ি এসে দরজা ধাক্কায়। দরজা না খুললে তা ভাঙার চেষ্টা করে তারা, এমনটাই অভিযোগ।

কী বললেন ওই বিজেপি কর্মী?

ওই বিজেপি কর্মীর কথায়, “আমরা লুকিয়ে গিয়েছিলাম। টেনে বের করে রাস্তায় নিয়ে গিয়েছিল। তারপর ছেড়ে দিয়েছে। প্রায় ৩০-৩৫ জন লোক এসেছিল। সারা রাত ধরে তাণ্ডব চলেছে”। তাঁর দাবী, “বিজেপি করি বলে এই অত্যাচার। আমাদের আর কোনও দোষ নেই”।

বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সাহেব দাস বলেন এই অভিযোগ একেবারে সত্যি। তাঁর কথায়, “নন্দীগ্রামে বিজেপিকে বদনাম করে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল। এক সদস্যকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে মিলেই তৃণমূল যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি”।

কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের?

যদিও এই অভিযোগ নাকোচ করে দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান বলেন, “বিজেপি সবসময় মিথ্যাচার করছে। বাংলার মানুষের গায়ে কালি লাগানো হচ্ছে। তৃণমূল কর্মীদের মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ পুলিশের কাজ করছে”।

বলে রাখি, গতকাল, বুধবারই নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের গোকুলনগর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূলের এক পথসভার উপর একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেতাদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে দাবী। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, বিজেপির লোকজনই এই হামলা করেছে।    

RELATED Articles