TMC Councilor Went Door to Door Asking for Forgiveness: বুকে রয়েছে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মুখে রয়েছে দলের স্লোগান। পিছনে তৃণমূল কর্মীরা হাতে পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে। সকলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষমা চাইলেন এলাকার কাউন্সিলর (TMC Councilor Went Door to Door Asking for Forgiveness)। কাউন্সিলরের এমন কাণ্ড দেখে হতবাক সকলে। কী ঘটল হঠাৎ?
একুশের মঞ্চ থেকে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলকে শুদ্ধিকরণের বার্তা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, “যেখানে যেখানে জিতেছেন, সেখানে সেখানে মানুষের কাছে গিয়ে ধন্যবাদ জানান। তাঁদের কোন কাজ বাকি রয়েছে, করবেন। যেটা পারবেন না দলকে জানাবেন। আর যেখানে আমরা জিতিনি, সেখানে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে বলবেন, আমাদের ক্ষমা করবেন, হয়তো আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতায় কোনও খামতি ছিল, আগামী দিন যাতে না হয়, আমরা দেখব। আমাদের আর্শীবাদ করবেন”।
মমতার এহেন মন্তব্যের পরই সক্রিয় হল মালদহ নেতৃত্ব। আসলে মালদহ উত্তর ও মালদহ দক্ষিণ, এই দুই লোকসভা কেন্দ্রেই দাঁত ফোটাতে পারে নি তৃণমূল। মালদহ উত্তর থেকে জিতেছে বিজেপি আর মালদহ দক্ষিণ থেকে জিতেছে বাম-কংগ্রেস জোট। ফলে এই দুই লোকসভা কেন্দ্রের দিকে জোর দেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরই রাস্তায় নামল মালদহ নেতৃত্ব (TMC Councilor Went Door to Door Asking for Forgiveness)।
ওল্ড মালদহ পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শত্রুঘ্ন সিনহা বর্মা দলের কর্মীদের নিয়ে নিজের ওয়ার্ড বাচামারির নানান বাড়িতে গিয়ে গিয়ে জনসংযোগ সারেন। বুকে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। তিনি মানুষের কাছে জানতে চান, কেন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে ভোট দিলেন না তারা (TMC Councilor Went Door to Door Asking for Forgiveness)? আক্ষেপ করে বলেন, “বিপদের সময় আমরা থাকি, বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা আমরা পাইয়ে দিই অথচ আমাদের কেন ভোট দিলেন না”? এও বলেন যে পরের বার যেন ভুল না হয় আর তাদের ভুলের জন্য ক্ষমাও চান কাউন্সিলর।
যদিও তৃণমূলের এই কাণ্ড দেখে কটাক্ষ করতে ছাড়ে নি গেরুয়া শিবির (TMC Councilor Went Door to Door Asking for Forgiveness)। বিজেপির উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত এই বিষয়ে, “তৃণমূলের বোধ, বুদ্ধির উদয় হয়েছে এটি ভাল কথা ,বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুদ্ধিকরণ করছে। তবে খালি হাতে গিয়ে শুদ্ধিকরণ করলে হবে না। কারণ তৃণমূল নেতারা যেসব কাটমানি এবং বিভিন্নভাবে তোলা আদায় করেছে, সেসব টাকা ফেরত দিতে হবে। তবেই শুদ্ধিকরণ হবে”।





