আর জি কর কাণ্ডের আবহেই রাজ্যের ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে হয়েছিল উপনির্বাচন। আজ, শনিবার সেই নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের দিন। প্রাথমিক যা ট্রেন্ড সেই অনুযায়ী, ছয় আসনেই এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। বিজেপির হাতে থাকা মাদারিহাটও হয়ত হাতছাড়া হতে চলেছে তাদের।
রাজ্যের ৬ আসন অর্থাৎ হাড়োয়া, নৈহাটি, তালডাংরা, মেদিনীপুর, সিতাই, মাদারিহাট কেন্দ্রে হয়েছিল উপনির্বাচন। দেখা যাচ্ছে, নৈহাটি কেন্দ্রে সপ্তম রাউন্ড গণনা শেষে ৩৫,৩৪৪ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী। হাড়োয়ায় তৃতীয় রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূল প্রার্থী এগিয়ে ৩৪,৪৫২ ভোটে।
অন্যদিকে আবার মেদিনীপুর দ্বিতীয় রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূলের প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ১৬,০০৪ আর বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ১০,১৬৮টি ভোট। অন্যদিকে আবার সিপিআই প্রার্থীর ঝুলিতে রয়েছে ১,৩১১টি ভোট। মাদারিহাট ছিল বিজেপির দখলে। সেই কেন্দ্রে দ্বিতীয় রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূল এগিয়ে ১০ হাজার ভোটে। সিতাইয়েও তৃণমূল প্রার্থী ৬০ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই সেলিব্রেশনের মুডে শাসকদলের কর্মীরা। কোথাও সবুজ আবির উড়িয়ে তো কোথাও আবার ঢোল-তাসা বাজিয়ে চলছে উদযাপন। রাজ্যের ৬ কেন্দ্রেই ধরা পড়ল একই ছবি। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি। তবে ৬ কেন্দ্রেই যে তৃণমূলই ছক্কা মারতে চলেছে, তা মোটামুটি স্পষ্ট।
আর জি কর কাণ্ডের পর রাজ্যে এই প্রথম ভোট। বিরোধীদের দাবী ছিল, সাধারণ মানুষ তৃণমূলের উপর ক্ষাপ্পা। ফলে তৃণমূল নিজের জায়গা হারাবে। ফলে তৃণমূলের জন্যও এই উপনির্বাচন বেশ কঠিন পরীক্ষাই ছিল বলা যায়। কিন্তু ভোট গণনার যা ট্রেন্ড, তাতে মনে হচ্ছে গ্রাম বাংলায় আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদের তেমন প্রভাবই পড়ে নি। সেখানে মাটিতে আঁচড় বসাতে পারে নি বিরোধীরা। সেই তৃণমূলকেই ফের ভরসা করেছে গ্রামবাংলার মানুষ।





