কয়লা-গরুর পর এবার জমিও চুরি! জোর করে আদিবাসীর জমি নিজের নামে করে নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, তুমুল শোরগোল

এর আগে একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে নানান চুরির অভিযোগ উঠেছে। কখনও কয়লা, কখনও গরু তো কখনও আবার শিক্ষা, এমন নানান ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ একাধিক তৃণমূল নেতা। কেউ কেউ জামিন পেলেও, এখনও কিছু তৃণমূল নেতা জেলবন্দি। এবার এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে উঠল জমি চুরির অভিযোগ।

ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের সিউড়ি ১ ব্লকের ভুরকুনা গ্রামে। ওই গ্রামের বাসিন্দা লাটু পোড়া। একজন আদিবাসী তিনি। তাঁর জমিই জোর করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই গ্রামের অঞ্চল সভাপতি বিনয় চৌবের বিরুদ্ধে।

ওই আদিবাসী লাটু পোড়ার অভিযোগ, “আমি আদিবাসী। আমার পাট্টা জমি বিনয় চৌবে লিখে নিয়েছে নিজের নাম। জোর করে হুমকি দিয়ে কিনে নেয়। মাস ছয়েক হয়েছে এই ঘটনার। বলছে এই জায়গা নাকি ওর। তারপর কিনে নিয়েছে”। এই ঘটনায় জেলা পরিষদের সভাপতি কাজল শেখের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

প্রশাসনের কাছে তাঁর জমি দখল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লাটু পোড়া। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি বিনয় চৌবে। তাঁর পাল্টা দাবী, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, চোদ্দ বছর আগে তিনি এই জমির পাট্টা পেয়েছেন। তাহলে এখন হঠাৎ করে কেন এই অভিযোগ করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তবে এদিকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠতেই তা নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছে বিজেপি। বীরভূমের বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, তৃণমূল নেতারা গায়ের জোরে গরিব মানুষের জমি, ঘরবাড়ি সব দখল করে নেয়। এটা নতুন কোনও ঘটনা নয়।

আরও পড়ুনঃ ‘গেরুয়া পোশাক, কপালে তিলক পরবেন না…’, প্রাণ রক্ষার জন্য বাংলদেশের সন্ন্যাসীদের বিশেষ বার্তা কলকাতা ইসকনের 

অন্যদিকে বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ এই বিষয়ে জানিয়েছেন, “জেলা পরিষদে যদি এই ধরনের কোনও অভিযোগ হয়ে থাকে, তাহলে খতিয়ে দেখা হবে। অন্য কেউ দোষী হলে তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেবে জেলা পরিষদ”।

RELATED Articles