এর আগে বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করে এসেছে যে রাজ্যের থানা ও বিডিও অফিসগুলি (BDO office) যখন তখন দখল করে নেয় তৃণমূল। আর এবার সেই প্রমাণও মিলল হাতেনাতেই। বিডিও-কে তাঁর অফিস থেকে বের করে দিয়ে তাঁর চেয়ারে বসলেন তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিশ আলি (Idish Ali), চলল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সঙ্গে বৈঠক। বিধায়কের উল্টোদিকে বসে ব্লক তৃণমূল নেতারা। দেখে বোঝার উপায় নেই সেটা আদতে এক বিডিও-র অফিস নাকি তৃণমূল কার্যালয়। এমন ঘটনা ঘটল মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় (Bhagabangola)।
গতকাল, মঙ্গলবার রাজ্যের নানান ব্লকের নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ভগবানগোলার বিধায়ক ইদ্রিশ আলি ও প্রাক্তন বিধায়ক চাঁদ মহম্মদ। ব্লকের আরও ১০ জন নেতাও ছিলেন বৈঠকে।
সেই বৈঠকের যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভগবানগোলা ২ নম্বর ব্লকের বিডিও-র অফিসে তাঁর চেয়ারে বসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করছেন তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিশ আলি। আর তাঁর উল্টোদিকে বসে রয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক চাঁদ মহম্মদ ও অন্যান্য নেতারা। সূত্রের খবর, সেই সময় বিডিও ওয়ারিশ খান নিজের অফিসের বাইরে বসে ছিলেন।
এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। সেই বিতর্কের মুখে পড়ে ইদ্রিশ আলি বলেন, “ভিডিও কনফারেন্সিং করার মতো পরিকাঠামো পার্টি অফিসে নেই। তাই বিডিও দফতর থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে যোগদান করেছি। এখানে ইন্টারনেটের স্পিড বেশি। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ারও ভয় নেই”।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিডিও ওয়ারিশ খান জানান, “আমাকে বলা হয়েছিল প্রশাসনিক বৈঠক। তাই আমি আমার ব্যক্তিগত ল্যাপটপ বিধায়ককে ব্যবহার করতে দিই। এর পর আমি কিছু কাজে বেরিয়ে যাই। ফিরে এসে দেখি আমার ঘরে আরও অনেক লোক বসে রয়েছে। তখন জানতে পারলাম ওরা বৈঠক করছেন। তখন তো আর তোলা যায় না”।





