আমি ছাড়া নন্দীগ্রামের খোঁজ কেউ নেয় না, ঘূর্ণিঝড়ের পর কেউ আসেনি, শাসককে বিঁধে তীব্র বাক্য বিস্ফোরণ শুভেন্দু’র!

সামনেই বড় পরীক্ষা। কিন্তু তার আগে সব যেন‌ও ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল শিবিরের। বঙ্গ রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বেশি চর্চায় তৃণমূলের দাপুটে নেতা শুভেন্দুর সঙ্গে শাসকদল তৃণমূলের সম্পর্ক। শুভেন্দু অধিকারী কি চাইছেন তা বুঝে উঠতে পারছেনা কোন‌ও শিবিরই! এবার ফের নন্দীগ্রামের মাটিতে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলেন শুভেন্দু অধিকারী (suvendu Adhikari)।

আজ অর্থাৎ শুক্রবার নন্দীগ্রামে (Nandigram) কালীপুজো উদ্বোধনে এসে তিনি বললেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের পর নন্দীগ্রামে কেউ আসেনি। আমিই বারবার ছুটে এসেছি, পাশে থেকেছি।’ তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ‘চরৈবেতি চরৈবেতি করে আমরা এগিয়ে যাব। আমাদের কেউ আটকাতে পারবে না।’

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য সিঙ্গুরের (Singur) পর এই নন্দীগ্রামের হাত ধরেই বাংলার রাজনীতির মসনদ হাসিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর আর কখনোই নন্দীগ্রাম নিয়ে খুব বড় সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়নি তাঁকে। যেমনটা দেখা যায়নি সিঙ্গুরের ক্ষেত্রেও।

সম্প্রতি তৃণমূলের অন্তরে একাধিক নেতার ক্ষোভের চিত্রটা জনসমাজে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। যাতে পরিবর্তন ঘটাতে ব্যর্থ রাজ্যের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর। সিঙ্গুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী, আরামবাগের বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা ও ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত — সকলেই বিদ্রোহ শুরু করেছেন।

RELATED Articles