আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে ন্যায় বিচার দেওয়ার জন্য আন্দোলন, মিছিল চালিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। এই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। আসল দোষী ধরা পড়ুক, সকলের দাবী একটাই। এবার দোষীদের শাস্তির দাবীতে সরব তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও পুলিশ কমিশনারকে হেফাজতে নিয়ে যাতে সিবিআই তাদের জেরা করে, এবার তেমনই দাবী তুললেন তিনি।
তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের দাবী, যাতে সিবিআই পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল ও আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে। কেন প্রথমে আত্মহত্যার কথা রটানো হয়েছিল, কে-ই প্রথম এই কথা রটাল, তা জানতে চাক সিবিআই, আর্জি তৃণমূল সাংসদের।
এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে সুখেন্দুশেখর রায় লেখেন, “কারা আত্মহত্যার কথা রটিয়েছিল? কেন ৩ দিন পরে ঘটনাস্থলে স্নিফার ডগ নিয়ে যাওয়া হল? কেন সেমিনার হলের দেওয়াল ভাঙা হল? এরকম শতাধিক প্রশ্ন আছে। পুলিশ কমিশনার, প্রাক্তন অধ্যক্ষকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করুক সিবিআই। তাহলেই জানা যাবে কীভাবে তাঁরা এতটা প্রভাবশালী, কাদের আশ্রয়ে এই কর্মকাণ্ড”।
এই প্রথমবার নয়, এর আগেও আর জি করের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। নানান তৃণমূল নেতা যখন এই ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন, সেই সময় দাঁড়িয়ে মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচিকে সমর্থন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন তিনি। বলেছিলেম, তিনিও এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে চান।
সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে সুখেন্দুশেখর রায় লিখেছিলেন, “লক্ষ লক্ষ বাঙালির মতো আমার বাড়িতেও একটি কন্যা ও ছোট নাতনি রয়েছে। তাই এই ব্যাপারে আমাদের অবশ্যই সোচ্চার হওয়া উচিত। মহিলাদের প্রতি অনেক নিষ্ঠুরতা হয়েছে। আসুন একসঙ্গে প্রতিবাদ করি। তা সে যাই হোক না কেন”।
আর জি করের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনেই সুখেন্দুশেখর রায় বলেছিলেন, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গই নয়, দেশের নানান জায়গায় এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটে। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়েছিলেন যাতে পরবর্তী শীতকালীন অধিবেশনে এই সংক্রান্ত কঠোর বিল আনা হয়।





