দু’জনের মধ্যে বচসা চলছিল। তা একসময় পৌঁছে যায় হাতাহাতিতে। এরই মধ্যে এক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেললেন তৃণমূল কর্মী। বিজেপি কর্মীর কান টেনে কামড়ে গিলেই নিলেন তৃণমূল কর্মী। সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে ছোটা হয় হাসপাতালে।
কোথায় ঘটেছে এমন ঘটনা?
ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেশন মোড় এলাকায়। জানা গিয়েছে, সেখানকার বাসিন্দা আক্রান্ত ব্যক্তি বিনয় রায়। জানা গিয়েছে, গতকাল, বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত রশিদুল রহমান এক ব্যক্তিকে খুব উত্যক্ত করছিলেন। তাঁকে বারবার উ’ল’ঙ্গ করার চেষ্টা করছিলেন রশিদুল রহমান। সেই ঘটনাটি চোখে পড়তেই প্রতিবাদ করেন বিনয় রায়।
এই বিনয় রায় এলাকায় বিজেপি কর্মী বলেই পরিচিত। তিনি রশিদুলের কাজের প্রতিবাদ করায় দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়। সেই বচসা বিরাট আকার ধারণ করে। হাতাহাতি শুরু হয় তাদের মধ্যে। এরই মধ্যে আচমকাই বিনয়ের কান কামড়ে টেনে ছিঁড়ে নেয় রশিদুল। র’ক্তা’র’ক্তি কাণ্ড ঘটে যায়। তড়িঘড়ি বিনয়বাবুকে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ধূপগুড়ি থানায় রশিদুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বিনয়বাবু।
কী জানালেন আক্রান্ত ব্যক্তি?
বিনয় রায় জানান, “এক ছেলের বারবার প্যান্ট খুলে নিচ্ছিল। আমি বাধা দিয়েছিলাম। কানের অনেকটা অংশই কামড়ে খেয়ে নিয়েছে। আগে তো হকারি করত। এখন এসবই করে বেড়াচ্ছে। আমি বিজেপি করি। ও তৃণমূল করে”।
এই ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “কানের অর্ধেকটা অংশই ছিল না। চিকিৎসকরা জানান সেলাই করার মতো পরিস্থিতিই ছিল না। রশিদুলের তো দাঁতেই কান আটকে ছিল”।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি কনভেনার চন্দন দত্ত বলেন, “এর থেকে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে, তৃণমূল এতদিন বালি খেত, কয়লা খেত. ব্যালট পেপার খেত! এখন বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেল! সন্ধ্যার পরই তৃণমূলের নেশাগ্রস্ত নেতারা এসবই করেন।” আক্রান্ত কর্মীর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। দোষীর অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন”।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!