দুটি পৃথক খু’নের ঘটনায় ফের উত্তপ্ত মালদহ। শুক্রবার সন্ধ্যেতেই উদ্ধার হল দুটি মৃতদেহ। একদিকে এক পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে উদ্ধার এক আদিবাসী নাবালিকার মাথা থেঁতলানো দেহ আর অন্যদিকে ভুট্টার ক্ষেত থেকে উদ্ধার এক মহিলার গলাকাটা দেহ। দুই ক্ষেত্রেই ধ’র্ষ’ণ করে খু’ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
কোথায় কোথায় ঘটল ঘটনাগুলি?
পুলিশ সূত্রে খবর, ওল্ড মালদহের ভাবুক এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে এক নাবালিকার দেহ। ইংলিশবাজারের উত্তর বালুচরের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর খু’নের ঘটনার রেশ এখনও কাটে নি। এরই মধ্যে এবার ভাবুক গ্রামের বিষণপুরের এক পরিত্যক্ত ইটাভাটা থেকে উদ্ধার হল এক আদিবাসী নাবালিকার মাথা থেঁতলানো দেহ।
জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বয়স ১৩ বছর। গতকাল, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাসিন্দাদের নজরে পড়ে নাবালিকার মৃতদেহটি। ওই নাবালিকা গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাদনা পরবে গিয়েছিল বলে খবর। এরপরই ঘটে এমন ঘটনা। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধ’র্ষ’ণ করে খু’ন করা হয়েছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।
অন্যদিকে আবার বৈষ্ণবনগর থানার চরি-অনন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক ভুট্টা ক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়েছে এক মহিলার মৃতদেহ। মৃতার নাম মৌসুমি মণ্ডল। ওই এলাকারই বাসিন্দা অজিত মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। দুটি সন্তান রয়েছে দম্পতির। এই মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, দিন চারেক আগে ওই মহিলা বাপের বাড়ি যাবেন বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তারপর থেকেই খোঁজ মিলছিল না তাঁর। গতকাল, শুক্রবার কিছু অল্পবয়সি ছেলে ছাগল চড়ানোর সময় ওই ভুট্টার ক্ষেতে মহিলার দেহ পড়ে থাকতে দেখে। কী কারণে খু’ন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধ’র্ষ’ণ করে খু’ন কী না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই দুই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহে।





