সামনেই পুরসভার নির্বাচন। নানান রাজনৈতিক দলের তরফে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। কংগ্রেস ও বিজেপিতে এই নিয়ে সমস্যা দেখা দিলেও, তৃণমূলের মধ্যে তেমন কোনও ঝামেলা শোনা যায় নি আগে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই যেন ছবিটা বেশ পরিস্কার হয়ে উঠল।
আজ, বুধবার দেখা গেল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন তনিমা চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূলের টিকিট বাতিল হতেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি। শুধু তাই-ই নয়, জানা গেল পুরভোটে নির্দল প্রার্থী হয়েই লড়বেন তিনি। সেইমতো, আজ দাদা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ছবি হাতে নিয়েই মনোনয়ন পেশ করতে গেলেন তনিমা চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, তাঁকে টিকিট দিয়েও ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তনিমা চট্টোপাধ্যায়ের বদলে ওই ওয়ার্ডে তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে বিদায়ী কাউন্সিলর সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়কে। এই বিষয়ে তনিমা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “দাদাকে প্রণাম করে আশীর্বাদ চেয়েছি। আমি জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী”।
এই পরিস্থিতিতেই আবার দেখা গেল, টিকিট না পেয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন বিদায়ী কো–অর্ডিনেটর রতন মালাকার। এখানে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের ওয়ার্ডে ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করা হয়েছে ।
এই বিষয়ে অবশ্য সরাসরি কিছু বলেন নি রতন মালাকার। নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানো নিয়ে তিনি বলেন, “আমি স্বেচ্ছায় নির্দল প্রার্থী হয়েছি। কারও বিরুদ্ধে আমার কিছু বলার নেই”।
প্রসঙ্গত, ২০০০ সালে ৭১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথমবার তৃণমূলের প্রার্থী হন রতন মালাকার। এরপর ২০০৫, ২০১০ এবং ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের ওয়ার্ড থেকেই কাউন্সিলর হয়েছেন তিনি।






