উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ‘মোকা’, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বঙ্গজুড়ে ফের তাপপ্রবাহ, বেলা বাড়লেই বইবে লু

গতকাল, মঙ্গলবারই বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি থেকে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আজ, বুধবার সন্ধ্যের দিকে এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’য় পরিণত হবে। ১১ই মে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তা আরও শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। ১২-১৩ তারিখ তা উপকূলের দিকে এগিয়ে যাবে, এমনটাই জানাল মৌসম ভবন। বাংলার জেলায় এই ঘূর্ণিঝড়ের কেমন প্রভাব পড়বে?

ঘূর্ণিঝড়ের এখনও পর্যন্ত যা গতিবিধি, তাতে মৌসম ভবনের তরফে জানানো হচ্ছে যে এর অভিমুখ পশ্চিমবঙ্গের দিকে নয়। এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অর্থাৎ বাংলাদেশ-মায়ানমারের দিকেই অগ্রসর হবে। আগামী ১৪ই মে অর্থাৎ রবিবার তা বাংলাদেশের কক্সবাজার ও মায়ানমারের ক্যাকপ্যু এলাকায় ঢুকতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে শক্তি হারাবে ‘মোকা’।

প্রথম থেকেই আমেরিকা ও ইউরোপের মৌসম ভবনের জানাচ্ছিল যে ‘মোকা’ ভারতে সেভাবে প্রভাব ফেলবে না। এবার ভারতীয় মৌসম ভবনও সেকথাই জানাল। তবে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বাংলাদেশ ও মায়ানমারের দিকে হলেও পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতেও বারণ করা হয়েছে বলে খবর।

এদিকে আবার এই ‘মোকা’র প্রভাবে বাংলায় ফের শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। আরও ৩ দিন এমন পরিস্থিতি চলবে বলে জানা গিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বাতাসে জলীয় বাষ্প শুষ্ক হবে কিন্তু তবুও আর্দ্রতাজনিত কারণে অস্বস্তি বজায় থাকবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

গতকাল, মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। ৩৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ, বুধবার ভোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, ২ বর্ধমান, হুগলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের মালদহ এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে লু বইবে।

RELATED Articles