“পায়া সরলে টেবিলও নড়বড়ে হবেই”, লক্ষ্মীরতন শুক্লা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এই তৃণমূল নেত্রীর!

একের পর এক হেভিওয়েটদের দলত্যাগ। বেজায় সমস্যায় তৃণমূল নেতৃত্ব। শুভেন্দুর পর এবার লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ছাড়লেন তৃণমূল কংগ্রেস।ইতিমধ্যেই মন্ত্রিত্ব পদ থেকে পদত্যাগ করেছে বলে জল্পনা চলেছে। সেইসঙ্গে তিনি হাওড়া শহরে তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। মন্ত্রিত্ব ত্যাগ নিয়ে, লক্ষ্মীর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে, আপাতত রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চান তিনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২০–র জুলাই মাসেই লক্ষ্মীরতনকে হাওড়া সদর তৃণমূলের সভাপতি করা হয়। আপাতত কিছুদিন বিশ্রাম নিতে চান লক্ষ্মীরতন, এমনই জানা গিয়েছে। তার পর ফের ক্রিকেটের জগতেই ফিরতে চান তিনি।

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে নিয়ে জল্পনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। এরই মধ্যে দলের বিপক্ষে মুখ খুলেছিলেন রাজীব। কিন্তু লক্ষ্মীরতন এর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ যেন‌ও বিনা মেঘে বজ্রপাত।

২০২১ -এর শুরুতেই তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীর অনুপস্থিতি নিয়ে শোরগোল পড়েছিল। পয়লা জানুয়ারি হাওড়ার কদমতলার জেলা সদর দফতরে আয়োজন করা হয়েছিল দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠান। সেখানে রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও গরহাজির ছিলেন লক্ষীরতন শুক্লা। ছিলেন না বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ও। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানে জেলার দুই মন্ত্রী তথা হেভিওয়েট নেতার অনুপস্থিতি নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিকে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। আর তারপর আজ হঠাৎই একধাপ এগিয়ে গিয়ে প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও দল থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।

তবে প্রাক্তন বঙ্গ ক্রিকেট অধিনায়কের তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তৃণমূল বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানিয়েছেন, ‘উনি দীর্ঘ দিন ধরেই দলে অপমানিত বোধ করছেন। কাজ করতে পারছিলেন না। দেখুন আত্মসম্মানটাই সব। নিজেকে সম্মান না করতে পারলে, কাউকে সম্মান করা যায় না। তবে এটা ওঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এ নিয়ে বেশি কিছু বলতে পারবো না। তবে এটা তো ঠিক, একটি টেবিলের পায়া সরে গেলে, টেবিল তো নড়বড়ে হবেই।’

RELATED Articles