এবার রাজ্যের মুকুটে যোগ হল আরও এক নতুন পালক। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের স্বীকৃতি পেতে চলেছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি এই খবর জানান। ইউনেস্কোর তরফে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করা হবে।
বর্তমানে নানান সময় নানান বিতর্কে জড়িয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। এবার সমস্ত বিতর্ক উপেক্ষা করে এই বিশ্ববিদ্যালয় পেতে চলেছে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা। কারণ ইউনেস্কোর উপদেষ্টা সংগঠন ইকোমসের তরফে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জানান, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি আরবের রিয়াধে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির বৈঠক সম্মেলন রয়েছে। সেই সম্মেলন থেকেই এই ঘোষণা করা হবে।
ইউনেস্কোর তরফে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে লিভিং হেরিটেজ-এর তকমা দেওয়া হল যা বিশ্বে এই প্রথমবার। সাধারণত কোনও স্মৃতিস্তম্ভকে হেরিটেজ তকমা দেওয়া হয়। তবে বিশ্বে এই প্রথমবার কোনও সক্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়কে হেরিটেজ স্বীকৃতি দেওয়া হল ইউনেস্কো থেকে।
বিশ্বভারতী জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, “সবেমাত্র খবর পৌঁছেছে। তবে বিশ্বভারতীর কোন কোন ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থান এই সম্মান পেয়েছে এখনই তা স্পষ্ট নয়”।
টুইটারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাবী করেছেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। আর তাঁর সেই স্বপ্নপূরণের দিকেই আরও একধাপ এগোল। এই বিষয়ে রাজ্যের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি এখনও পর্যন্ত।
বর্তমানে নানান কারণের জেরে বারবার বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে। রাজ্যের অভিযোগ, কেন্দ্র পরিচালিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য নষ্ট করছেন। রাজ্যের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে কেন্দ্রও। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের হেরিটেজ সেন্টারের তকমা পাওয়া বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।





