আজই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয় বারের মতো শপথ গ্রহণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরই ২০১১র স্মৃতি উস্কে বিভিন্ন হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিট।
বাম শাসনের অবসানের পর প্রথমবার লাগছে মুখ্যমন্ত্রী হয়েই স্বাস্থ্যভার তুলে নিয়েছিলেন নিজের কাঁধে। হাসপাতালের পরিকাঠামো, চিকিৎসা ব্যবস্থা দেখতে তাঁর সারপ্রাইজ ভিজিট নজর কেড়েছিল। এদিন ফের করোনা পরিস্থিতিতে রোগীরা সঠিক পরিষেবা পাচ্ছেন কিনা তা দেখতে বিভিন্ন হাসপাতালে পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন শম্ভুনাথ পণ্ডি হাসপাতাল এবং পুলিশ হাসপাতালে যান তিনি।
আরও পড়ুন- ‘ভোটে হেরেও মুখ্যমন্ত্রী হলেন, রাজ্যে এর আগে এমন হয়নি’, মমতাকে তীব্র তোপ শুভেন্দুর
শপথ গ্রহণের পর থেকেই করোনার মোকাবিলা করতে জোর কদমে নেমেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। করোনা নিয়ন্ত্রণে আনতে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেন তিনি। বন্ধ করে দেওয়া হয় লোকাল ট্রেন। বিভিন্ন পরিষেবায় লাগাম টানা হয়।
সাংবাদিক বৈঠক শেষ হতেই হাসপাতাল পরিদর্শনে যান তিনি। প্রথমেই যান ভবানীপুরের শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে। কীভাবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হচ্ছে সেখানে, তা খতিয়ে দেখেন। সেইসঙ্গে শোনেন সাধারণ মানুষের অভিযোগও। করোনা পরীক্ষার পর রিপোর্ট হাতে পেতে অন্তত তিনদিন সময় লাগছে। সেই রিপোর্ট আরও যাতে দ্রুত দেওয়া সম্ভব হয়, অন্তত কোনও ব্যক্তি পজিটিভ কিংবা নেগেটিভ কি না, সেটুকু তথ্য দ্রুত জানিয়ে দিতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই যান পুলিশ হাসপাতালে। করোনা পরিস্থিতিতে চিকিৎসায় যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে, তা-ই নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ মমতার।
বাংলায় সবে শেষ হয়েছে ভোট পর্ব। এখনও রাজ্যজুড়ে অশান্তির অব্যাহত। ভোট প্রচারে সভা-সমাবেশ করে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে বাংলার করোনা পরিস্থিতি। এই অবস্থায় অমিল অক্সিজেন, হাসপাতালে মিলছে না শয্যা। ক্ষোভ বাড়ছে আমজনতার মনে।
আরও পড়ুন- মমতার ছবিতে কালো কালি, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল অফিসের সামনে বিজেপির ছাত্র পরিষদ
এই অবস্থায় চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে শহরের স্টেডিয়াম গুলোকে করোনা চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বিভিন্ন জেলায় আরও বেড বাড়ানোর কথা বলেন মমতা।





