মহারাজের ব্যক্তিগত জীবন না হলেও তাঁর ক্রিকেট জীবন কিন্তু বিতর্কে পরিপূর্ণ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পদ হোক বা ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্বের পদ হোক, সবেতেই রয়েছে অল্পবিস্তর বিতর্ক। এবার ফের একবার নতুন একটি বিতর্কে জড়ালেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।
আজ, বুধবার ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। এই করোনা আবহে এমনিতেও বেশ ছোটো করেই এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন সৌরভও। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁর দেখা মিলল না আজ। যদিও রাজনৈতিক ক্ষেত্রের অনেক ব্যক্তিত্বই আজ এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও অনুপস্থিত ছিলেন, যেমন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বাম নেতা বিমান বসু, প্রদেশ কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী, ও আরও অনেকে। কিন্তু অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সৌরভের অনুপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
আরও পড়ুন- করোনা মোকাবিলায় অগ্রাধিকার, অশান্তি ছড়ালে কড়া পদক্ষেপ, তৃতীয়বার শপথগ্রহণে মমতার অঙ্গীকার
সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজভবন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। অন্যদিকে, শাসক দলের পক্ষ থেকেও তাঁকে একটি আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর কথা। কিন্তু সেই আমন্ত্রণ পত্র পৌঁছায়নি সৌরভের কাছে। তাই মনে করা হচ্ছে, আর কারণেই উপস্থিত থাকেননি সৌরভ এই অনুষ্ঠানে। তবে তিনি এও জানিয়েছেন যে পরে কোনও একদিন নবান্নে গিয়ে দিদির সঙ্গে দেখা করে আসবেন।
বলে রাখি, কিছুমাস আগে পর্যন্তও সৌরভের রাজনীতিতে তথা বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে চলছিল তুমুল জল্পনা। কিন্তু এসবের মাঝেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন সৌরভ। এরপর তাঁর এই রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি কার্যত ধামাচাপা পড়ে যায়। এবার এদিন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার পিছনে সেই রাজনৈতিক সমীকরণই কাজ করছে কী না, তা অবশ্য বলা যাচ্ছে না। আর তাই এই নিয়েই ফের নতুন করে মহারাজকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে বিতর্ক।





