করোনার সুস্থতার হার ক্রমেই বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গে। যা নিয়ে বাড়ছে আশা। যদিও সোমবার রাজ্যে নতুন ৩,০৮০ জন করোনা রোগীর সন্ধান মিলেছে। আবারও মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। যদিও একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২,৯৩২ জন। এর ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫.০২ শতাংশ।
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর অনুযায়ী খবর, গত কাল অর্থাৎ সোমবার রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,১৯,৫৭৮ জন যদিও এর মধ্যে সুস্থতার হার অনেক বেশি। প্রায় ৮৯,৭০৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন এবং মোট মৃত্যুর পরিমাণ ২,৪৭৩ জন। পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্ত অবস্থায় এই মুহূর্তে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৭,৪০২ জন রোগী।
সোমবার উত্তর ২৪ পরগনা ও হাওড়া জেলায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বাড়লেও; কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি জেলায় করোনা অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা কমেছে। উত্তর ২৪ পরগনায় ৭৭ টি ও হাওড়ায় ১৫ টি অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা যেখানে বেড়েছে, সেখানে কলকাতায় ৯৩ টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩৭ টি এবং হুগলিতে ৩০ টি অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা কমেছে। যদিও এই সমস্ত জেলা গুলিকে ছাপিয়ে গেছে দক্ষিণ দিনাজপুর। সোমবার ওই জেলায় মোট ১১৩ টি অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়েছে। তবে কিছুটা স্বস্তি মালদায় ওখানে ৪৭ টি অ্যাক্টিভ কেস কমেছে। উল্লেখ্য সোমবার কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ২৩ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে জানা গেছে সোমবার রাজ্যে মোট ৩২,৩১৯ টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যা রবিবারের থেকে কিছুটা বেশি। ফলে পশ্চিমবঙ্গে মোট করোনার নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৩,১৪,৭৭২-এ। পরীক্ষা হওয়া নমুনার মধ্যে ৮.৮৮ শতাংশ পজিটিভ এসেছে। এর মধ্যেই আবার শোনা যাচ্ছে, ভারত এবং ইজরায়েলের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে গবেষণা চালাচ্ছেন যাতে ‘গলার স্বর শুনে করোনা ধরা যায়’ -এই বিষয়ের উপর।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন – অন্তরা ঘোষ





